📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ফলের দামে অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশি-বিদেশি ফলসহ বিভিন্ন প্রজাতির দাম ৩০০ থেকে ৪৭০ টাকার মধ্যে রেখেছে মধ্যবিত্ত পরিবারকে পুষ্টির চাহিদা পূরণে কষ্টে পড়তে বাধ্য। ক্রেতারা দামের কারণে প্রয়োজনীয় ফল কিনতে পারছেন না
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের ফল বাজারে দামের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারকে বিপদে ফেলেছে। দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ফল সরবরাহ থাকলেও চড়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতারা পুষ্টির চাহিদা পূরণে কষ্টে পড়ছেন। বিশেষ করে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি ও বয়স্কদের জন্য ফল কিনতে গিয়ে পরিবারগুলো বাজেটের চাপে আছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ায় প্রতি কেজি আপেলের দাম ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, মাল্টা ৩৫০ থেকে ৪৭০ টাকা, ডালিম ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, নাশপাতি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, ড্রাগন ফল ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত
- 📌 প্রতি পিস ডাবের দাম ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, কমলা ৪৪০ থেকে ৪৬০ টাকা, আঙুর ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পেয়ারা ৯০ থেকে ১২০ টাকা
- 📌 ক্রেতারা দাবি করছেন: পাইকারি বাজারের মূল্য ও পরিবহন খরচের কারণে খুচরা দামে অতিরিক্ত মুনাফা দেওয়া হচ্ছে
- 📌 মধ্যবিত্ত পরিবারের ৭০% ফল কেনার পরিমাণ কমিয়ে আনা হয়েছে দামের কারণে
- 📌 ক্রেতারা দাবি করছেন: ফলের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারি তদারকি বাড়াতে হবে
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের সড়ক বাজার এলাকায় বিভিন্ন ধরনের ফল বিক্রি হচ্ছে। তবে দামের কারণে ক্রেতারা কেনার পরিমাণ কমিয়ে আনা হয়েছে। আপেল, কমলা, আঙুর, ডালিম, পেয়ারা, কলা, পেঁপে, মাল্টা সহ বিভিন্ন ফল সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা। কিন্তু দাম শুনে অনেক ক্রেতা কেনার পরিমাণ কমিয়ে আনা হয়েছে। কেউ কেউ প্রয়োজনীয় ফল না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন।
ক্রেতাদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি ফলের দামও বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে যে পরিমাণ ফল কেনা যেত, এখন একই টাকায় তার তুলনায় অনেক কম ফল পাওয়া যাচ্ছে। ফলে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে গিয়েও বাজেটের সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে।
ক্রেতা মো. সামসুল আলম বলেন, ‘আমার মা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তাঁকে প্রায়ই ফল খাওয়াতে হয়। কিন্তু বাজারে ফলের দাম অনেক বেশি হওয়ায় কিনতে খুব কষ্ট হচ্ছে। তাই প্রয়োজন থাকলেও এবার অল্প পরিমাণে ফল কিনেছি।’ অন্য একজন ক্রেতা মো. বাছির মিয়া বলেন, ‘ফল স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু বাজারে এসে দাম শুনলে কিনতে ভয় লাগে। পরিবারের জন্য ফল কেনা এখন আমাদের মতো মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে এক কেজি ফল কিনতাম, এখন একই বাজেটে তার অর্ধেক কিনছি।’
ফল বিক্রেতা বাহার মিয়া বলেন, ‘পাইকারি বাজারের মূল্য, পরিবহন খরচ, সংরক্ষণসহ বিভিন্ন খরচের কারণে খুচরা বাজারে দাম বেশি রাখতে হচ্ছে। আমরা চাই কম দামে বিক্রি করতে, কিন্তু পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হওয়ায় খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
"আমরাও চাই কম দামে ফল বিক্রি করতে। কিন্তু পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ রয়েছে। সব মিলিয়ে খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি রাখতে হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া পৌর শহরের সড়ক বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সামসুল আলম, মো. বাছির মিয়া, মো. এমরান হোসেন, বিক্রেতা বাহার মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০-৩৩০ টাকা (আপেল), ৩৫০-৪৭০ টাকা (মাল্টা), ৪০০-৪৫০ টাকা (ডালিম), ১৩০-১৫০ টাকা (ডাব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!