📌 মধ্যবিত্তের আবাসন চাহিদা পূরণে নির্মাণ ব্যয় নিয়ন্ত্রণে জোর দিচ্ছেন শাহ মাসুদ ইব্রাহিম। তিনি বলেন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি ও জমির উচ্চমূল্যের কারণে ফ্ল্যাটের দাম বেড়েছে। ক্রেতাদের সামর্থ্য বিবেচনা করে নকশা ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন প্রতিষ্ঠানটি
মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকল্প পরিকল্পনা ও নির্মাণ ব্যয় নিয়ন্ত্রণে জোর দিচ্ছেন শাহ মাসুদ ইব্রাহিম। তিনি প্রথম আলোর সাক্ষাৎকারে বলেন, নির্মাণসামগ্রীর উচ্চমূল্য, জমির দাম বৃদ্ধি এবং ব্যাংক ঋণ সুদের হার বৃদ্ধির কারণে আবাসন প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে। এতে ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করে গুণগত মান ও নিরাপত্তা বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মধ্যবিত্তের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন: নির্মাণ ব্যয় নিয়ন্ত্রণে জোর দিয়ে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে চেষ্টা করছেন প্রতিষ্ঠানটি।
- 📌 ৭০-৮০ লাখ টাকার ফ্ল্যাটের তুলনা: শাহ মাসুদ ইব্রাহিম বলেন, ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো ৭০-৮০ লাখ টাকায় ফ্ল্যাট দিতে পারলেও তাদের প্রকল্পের অবস্থান, জমির মূল্য ও নকশার কারণে তুলনা করা যায় না।
- 📌 ক্রেতাদের চাহিদা: বর্তমানে ক্রেতারা পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা চায়।
- 📌 আবাসন খাতের মন্দা: দুই বছরের বেশি সময় ধরে স্থবিরতা চলছে। দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সুযোগ বাড়ানোর ও নির্মাণ ব্যয় কমানোর দাবি তুলেছেন তিনি।
- 📌 শহরের সম্প্রসারণ: শুধু রাজধানীতে নয়, পরিকল্পিতভাবে শহরের সম্প্রসারণে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণে শাহ মাসুদ ইব্রাহিমের নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ ব্যয় নিয়ন্ত্রণে জোর দিচ্ছে। তিনি বলেন, “আমাদের ব্যবসায়িক দর্শনে মধ্যবিত্তের আবাসন চাহিদা পূরণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে বর্তমান সময়ে নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, জমির উচ্চমূল্য এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার বৃদ্ধির কারণে ফ্ল্যাটের ব্যয় অনেক বেড়েছে।” তিনি উল্লেখ করেন, ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করে ফ্ল্যাটের আয়তন ও বিন্যাস নির্ধারণ করা হচ্ছে।
প্রথম আলোর প্রশ্নে, শাহ মাসুদ ইব্রাহিম বলেন, “৭০-৮০ লাখ টাকার ফ্ল্যাটের সঙ্গে আমাদের প্রকল্পের তুলনা করা যায় না। কারণ প্রকল্পের অবস্থান, জমির মূল্য, ফ্ল্যাটের আয়তন, ভবনের নকশা ও নির্মাণের মান সবই বিবেচনা করতে হয়। আমরা ক্রেতাদের কাছে মূল্য নির্ধারণের ভিত্তি স্বচ্ছ রাখতে চাই।” তিনি বলেন, ক্রেতারা শুধু মূল্য নয়, নির্মাণের গুণগত মান, নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারযোগ্যতাও বিবেচনা করতে পারেন।
ক্রেতাদের আগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে তারা পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা চায়। বিশেষ করে প্রাকৃতিক আলো-বাতাস, কার্যকর কক্ষবিন্যাস, পার্কিং সুবিধা ও শিশু-বয়স্কদের জন্য উপযোগী পরিবেশের বিষয়গুলো তাদের বিবেচনায় থাকে। প্রতিষ্ঠানটি এই পরিবর্তিত চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পের নকশা ও সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ করছে।
আবাসন খাতের মন্দা নিয়ে তিনি বলেন, “দুই বছরের বেশি সময় ধরে স্থবিরতা চলছে। এতে গতি ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি ও সাশ্রয়ী ঋণ সুযোগ বাড়ানো, নির্মাণ ব্যয় কমানোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমাতে হবে।” তিনি আরও বলেন, শুধু রাজধানীতে নয়, পরিকল্পিতভাবে শহরের সম্প্রসারণে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
"আমাদের লক্ষ্য হলো ক্রেতাদের এমন একটি পণ্য দেওয়া, যা তাঁদের বর্তমান প্রয়োজনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের চাহিদাও পূরণ করতে পারে। তবে মধ্যবিত্তের জন্য আরও সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ প্রয়োজন, সেটি আমরা স্বীকার করি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (অবস্থান উল্লেখিত নয়, তবে প্রকল্পের অবস্থান উল্লেখ করা হয়েছে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ মো. মাসুদ ইব্রাহিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি টাকা (ফ্ল্যাটের সর্বনিম্ন মূল্য), ৭০-৮০ লাখ টাকা (ছোট প্রতিষ্ঠানের ফ্ল্যাট মূল্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!