📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৮৫৯ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যার ৬০% পাঁচটি দেশ থেকে এসেছে। সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ১৬৫ কোটি ডলার প্রবাহিত হয়েছে। রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভকে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রাখছে
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন ৮৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। এই অর্থের প্রায় ৬০% পাঁচটি দেশ থেকে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়া থেকে এসেছে এই অর্থের অধিকাংশ। সৌদি আরব শীর্ষে রয়েছে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৮৫৯ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স
- 📌 এর মধ্যে ৬০% অর্থ পাঁচটি দেশ (সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া) থেকে এসেছে
- 📌 সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ১৬৫ কোটি ডলার, যুক্তরাজ্য থেকে ১২২ কোটি ডলার, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৭৭ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৭৭ কোটি ৪৮ লাখ ডলার এবং মালয়েশিয়া থেকে ৬৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে
- 📌 গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় ছিল ৭৫৮ কোটি ডলার, যা বেড়েছে ১০১ কোটি ডলার বা ১৩.২৮ শতাংশ
- 📌 চলতি অক্টোবরের প্রথম ১১ দিনে রেমিট্যান্সের প্রবাহ ১১৭ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি
- 📌 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭.৩৪ শতাংশ বেশি
- 📌 বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ বর্তমানে ৩৬.২১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে দেশে আসা মোট রেমিট্যান্সের মধ্যে শীর্ষ পাঁচ দেশ থেকে এসেছে প্রায় ৫০৯ কোটি ডলার। রেমিট্যান্সের প্রবাহে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত থাকায়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে।
বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ হুন্ডি লেনদেন প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এই প্রবাহের কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৬.২১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত ১১ অক্টোবর পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬.২১ বিলিয়ন ডলার, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতিতে ৩১.৪০ বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে।
২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল মাত্র ২৫.৯২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে রিজার্ভ আবারও ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উন্নীত হয়েছে।
"বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ হুন্ডি লেনদেন প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রবাসী কর্মী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবাসীরা, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫৯ কোটি মার্কিন ডলার (চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের রেমিট্যান্স), ৬০% (পাঁচ দেশ থেকে), ১৬৫ কোটি ডলার (সৌদি আরব থেকে), ৩৬.২১ বিলিয়ন ডলার (বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!