📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাইবার হামলা থেকে রক্ষা পেতে কীভাবে কাজ করে জিরো ট্রাস্ট নিরাপত্তা মডেল?

সাইবার হামলা থেকে রক্ষা পেতে কীভাবে কাজ করে জিরো ট্রাস্ট নিরাপত্তা মডেল?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাইবার হামলা থেকে সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষিত রাখতে জিরো ট্রাস্ট নিরাপত্তা মডেলের গুরুত্ব বেড়ে চলেছে। এই ব্যবস্থায় কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রকে আগামী বিশ্বস্ত বলে ধরে নেওয়া হয় না এবং প্রতিবার ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করা হয়। আইবিএমের তথ্য অনুযায়ী, একটি তথ্যফাঁসের গড় ক্ষতি হতে পারে ৩০ লাখ ডলার

সাইবার হামলার ঝুঁকি কমাতে প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ‘জিরো ট্রাস্ট’ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এই মডেলে নেটওয়ার্কের ভেতরে বা বাইরে থাকা কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রকে আগামী বিশ্বস্ত বলে ধরে নেওয়া হয় না। প্রতিবার তথ্য বা সেবা ব্যবহারের আগে ব্যবহারকারীর পরিচয় ও অনুমোদন যাচাই করা হয়। এটি প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিপরীতে, যেখানে নেটওয়ার্কের ভেতরে থাকা ব্যক্তি বা যন্ত্রকে সাধারণত বিশ্বাস করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জিরো ট্রাস্টে কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রকে আগামী বিশ্বস্ত বলে ধরে নেওয়া হয় না — প্রতিবার পরিচয় যাচাই করা হয়
  • 📌 প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ‘ক্যাসল অ্যান্ড মোট’ মডেলে বাইরের হামলা ঠেকানো হয়, কিন্তু নেটওয়ার্কে প্রবেশ করলে ব্যক্তিকে বিশ্বাস করা হয়
  • 📌 আইবিএমের তথ্য অনুযায়ী, একটি তথ্যফাঁসের গড় ক্ষতি হতে পারে ৩০ লাখ ডলার
  • 📌 জিরো ট্রাস্টের মূল প্রযুক্তি হলো ‘জিরো ট্রাস্ট নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস’ (জেডটিএনএ), যা ব্যবহারকারীর কাছে শুধু নির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করে
  • 📌 গুগল জিরো ট্রাস্ট নেটওয়ার্কে বাস্তবায়নের পর এই ধারণাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়

📰 বিস্তারিত

প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নেটওয়ার্কের বাইরের হামলা ঠেকানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। তবে কোনো হ্যাকার একবার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারলে তাকে সাধারণত বিশ্বাস করা হয়। ফলে হামলাকারী নেটওয়ার্কের ভেতরে থাকা তথ্য ও সেবায় অবাধ প্রবেশাধিকার পেতে পারে। বর্তমানে ডেটা ক্লাউডে সংরক্ষিত থাকায় শুধু বাইরের প্রবেশপথ সুরক্ষিত রাখাই যথেষ্ট নয়। এই ঝুঁকি কমাতে জিরো ট্রাস্টের আবির্ভাব ঘটে।

২০১০ সালে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফরেস্টার রিসার্চ ‘জিরো ট্রাস্ট’ ধারণাটি প্রথম সামনে আনে। পরে গুগল এই ব্যবস্থাটি নিজেদের নেটওয়ার্কে বাস্তবায়নের পর এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। জিরো ট্রাস্টের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি হলো ‘জিরো ট্রাস্ট নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস’ (জেডটিএনএ)। এটি অননুমোদিত ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে পুরো নেটওয়ার্ককে অদৃশ্য রাখে এবং ব্যবহারকারী ও কাঙ্ক্ষিত সেবার মধ্যে এনক্রিপ্ট করা পৃথক সংযোগ তৈরি করে। ফলে একজন ব্যবহারকারী শুধু তার কাজের জন্য নির্ধারিত নির্দিষ্ট তথ্যে প্রবেশের সুযোগ পায়, পুরো নেটওয়ার্কে নয়।

সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিচয় চুরি বা কোনো যন্ত্র হ্যাক হলেও পুরো নেটওয়ার্ক ঝুঁকিতে পড়বে না। কারণ জিরো ট্রাস্টে প্রতিবার ব্যবহারকারীর পরিচয় ও অনুমোদন যাচাই করা হয়। এই ব্যবস্থায় নেটওয়ার্কের ভেতরে বা বাইরে থাকা কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রকে আগামী বিশ্বস্ত বলে ধরে নেওয়া হয় না।

"একটি তথ্যফাঁসের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের গড় ক্ষতি হতে পারে ৩০ লাখ ডলারের বেশি।" — আইবিএম

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যবহারকারী, আইবিএম, গুগল, ফরেস্টার রিসার্চ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ লাখ ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖