📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাঠাও হ্যাকিং: এক কোটি গ্রাহকের ১৩৩ গিগা তথ্য চুরির ঝুঁকি, হ্যাকার দাবি চার লাখ ডলার মুক্তিপণ

পাঠাও হ্যাকিং: এক কোটি গ্রাহকের ১৩৩ গিগা তথ্য চুরির ঝুঁকি, হ্যাকার দাবি চার লাখ ডলার মুক্তিপণ

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাঠাওয়ের সার্ভার থেকে এক কোটি ৯০ লাখের বেশি গ্রাহকের ১৩৩ গিগাবাইট সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি করেছে হ্যাকাররা। হ্যাকাররা চার লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি মুক্তিপণ দাবি করেছে। পাঠাও স্বীকার করেছে কিছু তথ্য চুরি হয়েছে, তবে হ্যাকারদের দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি

বাংলাদেশের রাইড-শেয়ারিং ও পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পাঠাওয়ের সার্ভার থেকে এক কোটি ৯০ লাখের বেশি গ্রাহকের ১৩৩ গিগাবাইট সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি করেছে একটি সাইবার অপরাধী চক্র। হ্যাকাররা চার লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর থেকে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন ব্যবহারকারীরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৩৩ গিগাবাইট তথ্য চুরি: পাঠাওয়ের সার্ভার থেকে এক কোটি ৯০ লাখের বেশি গ্রাহকের ইমেইল, ফোন, পাসওয়ার্ড, জিপিএস, জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বাসার ঠিকানা, কর্মীদের বেতন ও ব্যাংক হিসাবসহ ১৩৩ গিগাবাইট তথ্য চুরির দাবি করেছে হ্যাকাররা।
  • 📌 চুরি হওয়া তথ্যের পরিমাণ: ৫৯১টি তথ্যভান্ডার থেকে এক কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৮টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া ৯০ লাখেরও বেশি জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য, ৫৭ লাখ বাসার ঠিকানা এবং ১৭ হাজার ৯৪৩টি মার্চেন্ট ব্যাংক হিসাবসহ কর্মীদের মানবসম্পদ-সংক্রান্ত নথিও চুরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
  • 📌 মুক্তিপণ দাবি: হ্যাকাররা তথ্যের বিনিময়ে চার লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি দাবি করেছে। তারা জানিয়েছে, মুক্তিপণ না দেওয়া হলে ধাপে ধাপে তথ্য প্রকাশ করা হবে।
  • 📌 পাঠাও কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া: পাঠাও জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর সার্ভার হ্যাকের ঘটনা ঘটে, কিন্তু সাধারণ মানুষের সামনে আসে ৭ অক্টোবর। তারা সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছে। তবে হ্যাকারদের দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
  • 📌 সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা: তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের তথ্য চুরির ঘটনা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে আর্থিক লেনদেন, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা লঙ্ঘনসহ নানা অপরাধের আশঙ্কা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

পাঠাওয়ের সার্ভার থেকে তথ্য চুরির ঘটনা সামনে আসার পর বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। হ্যাকাররা যে পরিমাণ তথ্য চুরির দাবি করেছে, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পাঠাও কর্তৃপক্ষ। তবে কিছু ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য দুর্বৃত্তদের হাতে চলে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গত ৭ অক্টোবর পাঠাও তাদের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি পোস্টে দেখা যায়, হ্যাকাররা একটি আন্ডারগ্রাউন্ড ফোরামে পাঠাও লিমিটেডের উৎপাদন পর্যায়ের তথ্য নিজেদের দখলে নেয়ার দাবি করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ৫৯১টি তথ্যভান্ডার টেবিলে থাকা মোট এক কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৮টি অ্যাকাউন্টের ১৩৩ গিগাবাইট তথ্য চুরি হয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে ইমেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর, প্রকৃত নাম, পাসওয়ার্ড, জিপিএসের তথ্য, ফেসবুক পরিচিতি, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য, ব্যক্তিগত পরিচিতির ছবি এবং বাসার ঠিকানা।

পাঠাওয়ের ৫৪৯ জন কর্মীর মানবসম্পদ-সংক্রান্ত নথি, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, বেতনের বিবরণ, ধর্ম, জরুরি যোগাযোগের নম্বর এবং ১৭ হাজার ৯৪৩টি মার্চেন্ট ব্যাংক হিসাব ও রাউটিং-সংক্রান্ত তথ্যও চুরি হয়েছে বলে দাবি করেছে হ্যাকাররা।

সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ডেইলি ডার্ক ওয়েবের একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রথম ঘটনাটি সামনে আসে। পাঠাওয়ের জনসংযোগ শাখার ব্যবস্থাপক মো: ফয়েজ জানিয়েছেন, গত ৪ অক্টোবর তাদের প্ল্যাটফর্মে সেবা বিঘ্নিত হয়েছিল। সাইবার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই সেবাগুলো পুনরায় চালু করা হলেও পুরো ব্যবস্থা স্থিতিশীল করার কাজ এখনো চলছে।

"তদন্ত চলমান রয়েছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি যাচাই না করে তারা কোনো মন্তব্য করবে না।"

মো: ফয়েজ আরও জানিয়েছেন, তথ্য চুরির ঘটনা শনাক্ত করার পর প্ল্যাটফর্মের অখণ্ডতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে অনলাইন থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মুক্তিপণ দাবির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো: ফয়েজ (পাঠাওয়ের জনসংযোগ শাখার ব্যবস্থাপক), হ্যাকাররা, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৩ গিগাবাইট তথ্য, এক কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৮টি অ্যাকাউন্ট, ৯০ লাখ জাতীয় পরিচয়পত্র, ৫৭ লাখ বাসার ঠিকানা, ১৭ হাজার ৯৪৩টি মার্চেন্ট ব্যাংক হিসাব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖