📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে ৯ জন প্রতারক গ্রেপ্তার, চাঁদপুরের ইলিশ থেকে মোটরসাইকেল পার্টস পর্যন্ত বিক্রির শিকার মানুষের টাকা আত্মসাত

ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে ৯ জন প্রতারক গ্রেপ্তার, চাঁদপুরের ইলিশ থেকে মোটরসাইকেল পার্টস পর্যন্ত বিক্রির শিকার মানুষের টাকা আত্মসাত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ নড়াইলের প্রতারক চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের টাকা আত্মসাত করত। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মো. সুমন ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম মামুন ও অনিক অধিকারী

চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নড়াইলের একটি প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। এই চক্রের সদস্যরা ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাত করত। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মো. সুমন ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম মামুন ও অনিক অধিকারী, যারা সবাই নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন চাচুড়ী ও পেড়লী ইউনিয়নের বাসিন্দা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ নড়াইলের প্রতারক চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে, এর মধ্যে ৩ জনকে ১৪ ও ১৫ অক্টোবর গ্রেপ্তার করা হয়
  • 📌 প্রতারকরা ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে ইলিশ, ফার্নিচার, জুতা, শিশুদের খেলনা ও মোটরসাইকেলের পার্টস বিক্রির ভুয়া বিজ্ঞাপন দিত
  • 📌 তারা ভুয়া নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স ও ওয়েবসাইট তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করত
  • 📌 প্রতারণার কাজে ৮টি মুঠোফোন ও সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে
  • 📌 চাঁদপুর মডেল থানায় ২১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দিত। তারা ইলিশ মাছ, ফার্নিচার, জুতা, কলম, শিশুদের খেলনা ও মোটরসাইকেলের পার্টস বিক্রির লোভনীয় অফার দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করত। বিজ্ঞাপনগুলোর জন্য তারা শর্ট রিল তৈরি করে বুস্ট করত। এছাড়াও তারা নিজেরাই ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ইতিবাচক মন্তব্য করত।

প্রতারকরা অন্য ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো বা অডিও কল করে ‘নাহিদ’, ‘জাবেদ’, ‘হাজি আবদুল কাদের’, ‘রফিকুল’ ইত্যাদি ভুয়া নাম ব্যবহার করত। তারা ভুয়া ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স, নকল ভাউচার এবং ওয়েবসাইট তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করত। পণ্য বিক্রির কথা বলে অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর তারা মালামাল সরবরাহ না করে যোগাযোগ বন্ধ করে দিত এবং গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাত করত।

চাঁদপুর মডেল থানায় গত ২১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর সাইবার সুরক্ষা আইন ও পেনাল কোডের ধারায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করে এবং ১৪ ও ১৫ অক্টোবর নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার তাঁদের চাঁদপুরের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

"চক্রের সদস্যরা অন্য ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে ভুয়া পরিচয় দিত এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাদের টাকা আত্মসাত করত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নড়াইল জেলা (কালিয়া থানা), চাঁদপুর জেলা (মডেল থানা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সুমন ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম মামুন, অনিক অধিকারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন প্রতারক, ৩ জন গ্রেপ্তার, ৮টি মুঠোফোন, ২টি মামলা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖