📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো 'ইলেকট্রিক শক'-এর ভিডিও বাংলাদেশের ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল হিসেবে প্রচারিত হলেও এটি একটি সাজানো ভিডিও। ভারতের একটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত এই ভিডিওটি বাস্তব ঘটনা নয়
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ‘ইলেকট্রিক শক’ শিরোনামের ভিডিও বাংলাদেশের ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল হিসেবে প্রচারিত হলেও এটি একটি সাজানো ভিডিও। সত্যতা যাচাই করে দেখা গেছে, এই ভিডিওটি ভারতের একটি সচেতনতামূলক ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত এবং বাস্তব ঘটনার দৃশ্য নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের ভিডিও ‘ইলেকট্রিক শক’ শিরোনামে ছড়িয়ে পড়েছে, যা বাংলাদেশের ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল হিসেবে প্রচারিত হলেও সত্য নয়
- 📌 এই ভিডিওটি ভারতের ‘The Ghumakkad’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত, যা সচেতনতা ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি
- 📌 ৭০টিরও বেশি ফেসবুক পেজ ও প্রোফাইলে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি গণমাধ্যমের পেজে ১ কোটি ৬০ লাখবার দেখা হয়েছে
- 📌 মূল ভিডিওতে উল্লেখ রয়েছে, ‘এটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়’ এবং ‘সচেতনতা বৃদ্ধি ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি’
- 📌 ‘The Ghumakkad’ পেজের পরিচিতিতে বলা হয়েছে, তাদের সব ভিডিওই চিত্রনাট্য অনুযায়ী তৈরি বা সচেতনতা ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে বানানো
📰 বিস্তারিত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ‘ইলেকট্রিক শক’ শিরোনামের ভিডিওটি বাংলাদেশের ছিনতাইয়ের নতুন কৌশল হিসেবে প্রচারিত হলেও এটি একটি সাজানো ভিডিও। এই ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যস্ত সড়কের পাশে পিঠে ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবককে এক ভবঘুরে ছেলে ঘাড়ে তরল পদার্থ ছিটিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পর যুবক অস্বস্তি বোধ করে এবং ব্যাগ ও মোবাইল ফোন নিয়ে ছেলেটি পালিয়ে যায়। এই ভিডিওটি ‘The Ghumakkad’ নামের ভারতের একটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত, যা সচেতনতা ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি।
সত্যতা যাচাই করে দেখা গেছে, এই ভিডিওটি কোনো বাস্তব ঘটনার দৃশ্য নয়। মূল ভিডিওটি ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডের দৈর্ঘ্যের এবং শিরোনামে উল্লেখ রয়েছে, ‘এটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়’। পেজের পরিচিতিতে বলা হয়েছে, তাদের সব ভিডিওই চিত্রনাট্য অনুযায়ী তৈরি বা সচেতনতা ও বিনোদনের উদ্দেশ্যে বানানো।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিওটি ৭০টিরও বেশি পেজ ও প্রোফাইলে পোস্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গণমাধ্যমের ফেসবুক পেজে ভিডিওটি ১ কোটি ৬০ লাখবার দেখা হয়েছে এবং প্রায় ২ লাখ প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে ৫৮ হাজার বার।
"এটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়। এটি শুধু বিনোদন ও সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে বানানো হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুর (The Ghumakkad ফেসবুক পেজের অবস্থান)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: যুবক, ভবঘুরে ছেলে, ‘The Ghumakkad’ ফেসবুক পেজের পরিচালক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ড (ভিডিও দৈর্ঘ্য), ৭০টি+ পেজে ভিডিও পোস্ট, ১ কোটি ৬০ লাখবার দেখা, ২ লাখ প্রতিক্রিয়া, ৫৮ হাজার শেয়ার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!