📌 বিশ্বব্যাপী সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট দ্বিতীয় দিনও বন্ধ রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিরাপত্তা পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সাথে সংযোগ স্বাভাবিক। সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৬ সালের ১০ কোটি মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এই সতর্কতা
বিশ্বব্যাপী সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট দ্বিতীয় দিনও বন্ধ রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিরাপত্তা পরীক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে, তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সাথে সংযোগ ও কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ২৩ অক্টোবর রাত ৮টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ ছিল, ব্যবহারকারীদের জন্য অপ্রবেশযোগ্য ছিল।
- 📌 কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ওয়েবসাইট চালু করা হবে না।
- 📌 পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষায় শনাক্ত হওয়া সাইবার ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
- 📌 ২০১৬ সালে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এই সতর্কতা।
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক অতীতেও ২০২৩ সালে সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবেলায় ৩৬ ঘণ্টার জন্য অভ্যন্তরীণ ওয়েবভিত্তিক সেবা বন্ধ রেখেছিল।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার দুপুরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতা পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়। নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ওয়েবসাইটের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ কাজ করছে। নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ওয়েবসাইট চালু করা হবে না। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সংযোগ স্বাভাবিকভাবে চলছে।
বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে শনাক্ত হওয়া সাইবার ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যালিফ ও উইজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব ত্রুটি শনাক্ত করেছে। সরকারও বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা দুর্বলতা নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে।
২০১৬ সালের ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এই সতর্কতা। ওই ঘটনায় নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা অর্থ সরিয়ে নিয়েছিল। ওই ঘটনার পর তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমান পদত্যাগ করেছিলেন।
"পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইট এখনো চালু করা হয়নি। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সংযোগ স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।"
— নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান, গভর্নর আতিউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টা ৪৪ মিনিট, ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, ৩৬ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!