📌 ভারতে চলমান টি-টুয়েন্টি সিরিজে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আয় হতে পারে ২-৩ কোটি ডলার, কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড কিছুই পাবে না। সিডব্লুআই প্রধান ক্রিস ডেরিং বলেন, আইসিসির ১৯৯৭ সালের ভোটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পতন শুরু হয়
ভারতে চলমান টি-টুয়েন্টি সিরিজে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আয়ের বিপরীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের আয় শূন্য। ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের (সিডব্লুআই) প্রধান নির্বাহী ক্রিস ডেরিং বলেছেন, সিরিজে ভারত পাচ্ছে ২-৩ কোটি ডলার, কিন্তু ‘আমরা কিছুই না পাই’। তিনি আইসিসির ১৯৯৭ সালের সিদ্ধান্তকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের আর্থিক সংকটের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সিরিজে আয়ের সম্ভাবনা: ২-৩ কোটি ডলার, কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের আয়: শূন্য
- 📌 ১৯৯৭ সালের আইসিসি ভোটে ৯-১ ব্যবধানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ হেরে যায়, যা তাদের আয়ের প্রধান উৎস কেড়ে নেয়
- 📌 ১৫০ কোটি জনসংখ্যার দেশের আয় ভারত নিজেদের রাখে, অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুধু অ্যান্টিগুয়া (১ লাখ জন) বা সেন্ট কিটস (৩০ হাজার জন) থেকে আয় করতে পারে
- 📌 সিডব্লুআই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ২৫ শতাংশ কমিয়ে সংকট মোকাবেলা করছে
- 📌 ঘরোয়া ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির মেয়াদ কমিয়ে সাত মাস করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ভারতে চলমান টি-টুয়েন্টি সিরিজে স্বাগতিক ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আয়ের সম্ভাবনা ২-৩ কোটি ডলার। কিন্তু সিরিজে অংশগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের আয় শূন্য। সিডব্লুআই প্রধান ক্রিস ডেরিং ‘দ্য স্কুপ’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘এখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট কিছুই পায় না। কারণ, সিরিজটি ভারতে হচ্ছে। ভারতে যে সিরিজ থেকে দুই–তিন কোটি ডলার আয় হতে পারে, সেখান থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের কোনো আয় নেই’।
ডেরিং ১৯৯৭ সালের আইসিসি সিদ্ধান্তের দিকে ইশারা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি উপস্থিত ছিলাম যখন আইসিসি সদস্যদেশগুলো ভোট দেয়। তখন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিল খুব জনপ্রিয়। সফরকারী দলকে আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ দিতে হতো স্বাগতিক দেশগুলোকে। কিন্তু ১৯৯৭ সালে ১০টি সদস্যদেশের মধ্যে ৯টি নতুন মডেলের পক্ষে ভোট দেয়। এই মডেলে স্বাগতিক দেশের সম্প্রচার আয় পুরোপুরি তাদের নিজেদের রাখার অধিকার পায়’।
ডেরিং বলেন, ‘এই নিয়মের ফলে ১৫০ কোটি জনসংখ্যার দেশে অর্জিত পুরো আয় ভারত নিজেদের কাছে রেখে দিতে পারে। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুধু অ্যান্টিগুয়া (১ লাখ জনসংখ্যা) বা সেন্ট কিটসের (৩০ হাজার জনসংখ্যা) কাছ থেকে যা আয় করা সম্ভব, তা-ই রাখতে পারে’। তিনি মন্তব্য করেন, ‘এটি স্পষ্টতই অন্যায্য ছিল। আমরা ৯-১ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলাম। তখনই আমি বলেছিলাম, এই সিদ্ধান্ত কার্যত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের পতনের পথ তৈরি করেছে’।
সিডব্লুআই আর্থিক সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ২৫ শতাংশ কমিয়েছে। এছাড়াও ঘরোয়া ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির মেয়াদ কমিয়ে সাত মাস করা হয়েছে।
"এখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট কিছুই পায় না। কারণ, সিরিজটি ভারতে হচ্ছে। ভারতে যে সিরিজ থেকে দুই–তিন কোটি ডলার আয় হতে পারে, সেখান থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের কোনো আয় নেই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অ্যান্টিগুয়া, সেন্ট কিটস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস ডেরিং (সিডব্লুআই প্রধান নির্বাহী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-৩ কোটি ডলার, ১০টি সদস্য, ৯টি ভোট, ১৫০ কোটি জনসংখ্যা, ১ লাখ জনসংখ্যা, ৩০ হাজার জনসংখ্যা, ২৫ শতাংশ, ৭ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!