📌 কানাডার সুপার৬০ টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের পেসার আলি খানের একটি ওয়াইড বল বাউন্ডারি পার হয়ে যায়, যা প্রথমে ছক্কা হিসেবে গণ্য হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে। কিন্তু এমসিসির আইন অনুযায়ী ছক্কা হিসেবে গণ্য না হওয়ায় টরন্টো সিক্সার্স পায় মাত্র পাঁচ রান। সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনা ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়
কানাডার সুপার৬০ টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটে যা ক্রিকেটের আইনকে নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পেসার আলি খানের একটি ওয়াইড বল বাউন্ডারি পার হয়ে যায়, যা প্রথমে ছক্কা হিসেবে গণ্য হওয়ার মতো দেখায়। টরন্টো সিক্সার্সের বিপক্ষে মিসিসাগা মাস্টার্সের খেলায় এই ঘটনা ঘটে টরন্টোর ইনিংসের নবম ওভারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অদ্ভুত ডেলিভারি: আলি খানের বাউন্সারটি এত উঁচুতে উঠে যে কাইরন পোলার্ডের পাশাপাশি উইকেটরক্ষকও বলটিকে আটকাতে ব্যর্থ হন। বলটি সরাসরি বাউন্ডারি পার হয়ে যায়।
- 📌 আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত: এমসিসির আইন অনুযায়ী ছক্কা হিসেবে গণ্য না হওয়ায় টরন্টো সিক্সার্স পায় মাত্র পাঁচ রান (ওয়াইডের এক রান + বাউন্ডারির চার রান)।
- 📌 সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা: ডিন্ডা একাডেমি ঘটনাটির ভিডিও প্রকাশ করে লিখেছে, ‘আমার বংশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দেখলাম, ওয়াইড বল ছক্কায় পরিণত হলো (৬ ওয়াইড)।’
- 📌 ম্যাচের ফল: টরন্টো সিক্সার্স ১০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩০ রান করে। জবাবে মিসিসাগা মাস্টার্স ১০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২১ রানে থামে। টরন্টো ৯ রানে জয় পেয়ে ফাইনালে উঠে।
- 📌 পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নসের অংশগ্রহণ বাতিল: পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট না পাওয়ায় পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লেজেন্ডসের তৃতীয় মৌসুম থেকে সরে যায়।
📰 বিস্তারিত
কানাডার ভ্যানকুভারের বিসি প্লেসে অনুষ্ঠিত টরন্টো সিক্সার্স ও মিসিসাগা মাস্টার্সের সেমিফাইনাল ম্যাচে একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। টরন্টোর ইনিংসের নবম ওভারে যুক্তরাষ্ট্রের পেসার আলি খানের বাউন্সারটি এত উঁচুতে উঠে যে কাইরন পোলার্ডের পাশাপাশি উইকেটরক্ষকও বলটিকে আটকাতে ব্যর্থ হন। বলটি সরাসরি বাউন্ডারি পার হয়ে যায়। ধারাভাষ্যকাররা প্রথমে বুঝতে পারেননি কীভাবে এই বলের হিসাব হবে।
এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ডিন্ডা একাডেমি ঘটনাটির ভিডিও প্রকাশ করে লিখেছে, ‘আমার বংশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দেখলাম, ওয়াইড বল ছক্কায় পরিণত হলো (৬ ওয়াইড)।’ তবে এমসিসির আইন অনুযায়ী ছক্কা হিসেবে গণ্য না হওয়ায় টরন্টো সিক্সার্স পায় মাত্র পাঁচ রান। ওয়াইডের এক রানের সঙ্গে বাউন্ডারির চার রান যোগ হয়ে মোট পাঁচ রান হয়েছে।
ম্যাচে টরন্টো সিক্সার্স প্রথমে ১০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩০ রান করে। কাইরন পোলার্ড ১৬ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেন। জবাবে মিসিসাগা মাস্টার্সের অ্যালেক্স লিস ১১ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললেও দলটি ১০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২১ রানে থামে। টরন্টো সিক্সার্স ৯ রানে জয় পেয়ে ফাইনালে উঠে। আলি খান বল হাতে দুটি উইকেট নেন, তবে দুই ওভারে ৪৩ রান খরচ করেন তিনি।
অপর সেমিফাইনালে ব্রাম্পটন ব্লিটজকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ভ্যানকুভার অ্যাঙ্করস ফাইনালে উঠেছে। শিরোপার লড়াইয়ে টরন্টো সিক্সার্সের প্রতিপক্ষ তারা। পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নসের অংশগ্রহণ বাতিল হয়ে যায়, কারণ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট না পাওয়ায় তারা ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লেজেন্ডসের তৃতীয় মৌসুম থেকে সরে যায়।
"আমার বংশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দেখলাম, ওয়াইড বল ছক্কায় পরিণত হলো (৬ ওয়াইড)"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভ্যানকুভার, কানাডা (বিসি প্লেস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলি খান, কাইরন পোলার্ড, অ্যালেক্স লিস, আমার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ রান (ওয়াইড), ১০ ওভার, ৪ উইকেট, ১৩০ রান, ১৬ বল, ৪০ রান, ১১ বল, ৩৯ রান, ৭ উইকেট, ১২১ রান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!