📌 রাজশাহী মহাসড়কে চলন্ত বিসিবির কাভার্ড ভ্যান থেকে মোটরসাইকেলে উঠে ক্রিকেটারদের আটটি লাগেজ চুরি করা হয়। চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে এসএম মেহেরব হাসানের তিন লাখ টাকা উদ্ধার হয়নি
রাজশাহী মহাসড়কে সিনেমার মতো দুঃসাহসিক কায়দায় ক্রিকেটারদের লাগেজ চুরি করা হয়েছে। চলন্ত কাভার্ড ভ্যানের পেছন থেকে মোটরসাইকেলে উঠে চোররা ভেঙে ফেলে দরজার তালা এবং একে একে নামিয়ে নেয় আটটি লাগেজ। বুধবার ভোর ৫টার দিকে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। রাজশাহী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে, তবে এসএম মেহেরব হাসানের তিন লাখ টাকা উদ্ধার হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোটরসাইকেল থেকে চলন্ত কাভার্ড ভ্যানে ঢুকে চারজন চোর আটটি লাগেজ চুরি করে
- 📌 গ্রেপ্তার: মোজাম্মেল হক (৩২), সোহান রহমান (২৩), রুবেল আহমেদ (৩৮), শাহাদত হোসেন (৫২)
- 📌 উদ্ধার: আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স, ৩০০ মার্কিন ডলার, ম্যাসাজ বেড, ল্যাপটপ, চারটি প্লাস্টিকের বাক্স, আট হাজার টাকা ও চুরির সরঞ্জাম
- 📌 এসএম মেহেরব হাসানের তিন লাখ টাকা উদ্ধার হয়নি, টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে
- 📌 পুঠিয়া থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিদের কারাগারে পাঠানো হবে
📰 বিস্তারিত
বুধবার ভোরে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে বিসিবির কাভার্ড ভ্যানে জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচের জন্য ৫৪টি লাগেজ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর মোড়ে মোটরসাইকেলে আসা চারজন ব্যক্তি ভোর ৫টার দিকে চলন্ত ভ্যানের পেছন থেকে উঠে পড়ে। তারা কাভার্ড ভ্যানের দরজার তালা ভেঙে আটটি লাগেজ চুরি করে নিয়ে যায়। পরে পেছন থেকে আসা আরেকটি গাড়ির চালক বিষয়টি জানিয়ে দেন। ভ্যানের চালক সজীব দেখতে পান দরজা খোলা অবস্থায়। পরে হোটেলে লাগেজ নামানোর সময় দেখা যায়, দলের ৫৪টি লাগেজের মধ্যে ৪৬টি রয়েছে, বাকি আটটি চুরি হয়েছে।
ক্রিকেটার এসএম মেহেরব হাসান রাজপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে রাজশাহী ও নাটোর জেলা পুলিশ লাগেজ উদ্ধারের কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় চোরের দলটিকে শনাক্ত করে রাজশাহী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে তারাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শাহাদত হোসেনের বাড়ি থেকে মালামালও উদ্ধার হয়। উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স, ৩০০ মার্কিন ডলার, ম্যাসাজ বেড, ল্যাপটপ, চারটি প্লাস্টিকের বাক্স ও আট হাজার টাকা। এ ছাড়া চুরির কাজে ব্যবহৃত তালা ভাঙার সরঞ্জাম ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে রাজশাহীতে দুটি, টাঙ্গাইলে দুটি ও নাটোরে একটি মামলা রয়েছে। সোহান রহমান ও রুবেল আহমেদের বিরুদ্ধে পুঠিয়া থানায় একটি করে মামলা রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন জানান, এ ঘটনায় পুঠিয়া থানায় একটি মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। মামলা দায়েরের পর আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। এসএম মেহেরব হাসান জানান, লাগেজে থাকা অন্য মালামাল উদ্ধার হলেও তাঁর তিন লাখ টাকা উদ্ধার হয়নি। টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে জানানো হয়েছে।
"তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় চোরের দলটিকে শনাক্ত করে জেলা ডিবি পুলিশ। এরপর বৃহস্পতিবার ভোরে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী মহাসড়ক, পুঠিয়া উপজেলা তারাপুর, ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এসএম মেহেরব হাসান, মোজাম্মেল হক, সোহান রহমান, রুবেল আহমেদ, শাহাদত হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪টি লাগেজ (আনা), ৪৬টি লাগেজ (উদ্ধার), ৮টি লাগেজ (চুরি), ৩২ বছর (মোজাম্মেল হক), ২৩ বছর (সোহান রহমান), ৩৮ বছর (রুবেল আহমেদ), ৫২ বছর (শাহাদত হোসেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!