📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চোখের আলো হারালেও বৃদ্ধ মায়ের ভরসা মুকলেস

চোখের আলো হারালেও বৃদ্ধ মায়ের ভরসা মুকলেস

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মুকলেস আলী নিজের শ্রম দিয়ে সংসারের হাল ধরেছেন। মায়ের দেখাশোনা ও নিজের জীবিকা নির্বাহে তিনি কাঠচেরাই কারখানায় কাজ করেন। সরকারি সহায়তা ও ভাইয়ের সামান্য আয় মিলিয়ে চলছে তাঁদের সংসার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার তেলিপাড়া গ্রামের ৫২ বছর বয়সী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মুকলেস আলী নিজের শ্রম দিয়ে সংসারের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি স্থানীয় কারখানায় কাজ করার সময় তাঁর কর্মপদ্ধতি ও জীবনযাপন প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের শ্রদ্ধা অর্জন করেছে।

🔴 মুকলেস আলীর জীবনযুদ্ধ

  • 📌 মুকলেস আলী জন্মান্ধ ছিলেন না, ছোটবেলায় সামান্য দেখতে পেতেন।
  • 📌 দৃষ্টিশক্তি হারানোর পরও তিনি কখনো ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নেননি।
  • 📌 মুকলেসের মাসিক আয় প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।
  • 📌 তাঁর ছোট ভাই সোহেল রানা মাসে ৯ হাজার টাকা আয় করেন মুয়াজ্জিন হিসেবে।

📰 বিস্তারিত

ভোলাহাট উপজেলার তেলিপাড়া গ্রামে মুকলেস আলীর পরিবার বাস করে। তাঁর মা রুলি বেগম জানান, ছেলের চোখের আলো নিভে যাওয়ার পর থেকেই তিনি তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। কিন্তু মুকলেস কখনো হাল ছাড়েননি। তিনি ছোটবেলা থেকেই কাঠের কারখানায় খড়ি কুড়িয়ে সংসারে সহায়তা করতেন।

২০১০ সালে তাঁর বাবা মারা যান। এর আগে তাঁর বাবা দুর্ঘটনায় একটি পা হারান এবং নিয়মিত কাজ করতে পারতেন না। তখন থেকেই মুকলেস পরিবারের দায়িত্ব নেন। তাঁর ছোট ভাই সোহেল রানা স্থানীয় মসজিদে মুয়াজ্জিনের কাজ করেন। তিনি জানান, নিজের সংসার চালাতেই তাঁর আয় যথেষ্ট নয়। তাই মুকলেসই তাঁদের মায়ের দেখাশোনা করছেন।

মুকলেস যে কারখানায় কাজ করেন, তার মালিক এ টি এম হাসানুজ্জামান জানান, মুকলেস তাঁর প্রতিবেশী এবং প্রায় সমবয়সী। তিনি বলেন, মুকলেস একবার তাঁকে বলেছিলেন, মানুষের কাছে হাত পাতলে বেশি টাকা পাওয়া যায়। তখন মুকলেস বলেছিলেন, ‘আমি মরে গেলেও মানুষের কাছে হাত পাততে পারব না। কাজ করে আধপেটা খেলেও সেটাই আমার সম্মান।’

“আমি মরে গেলেও মানুষের কাছে হাত পাততে পারব না। কাজ করে আধপেটা খেলেও সেটাই আমার সম্মান।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভোলাহাট উপজেলা, তেলিপাড়া গ্রাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুকলেস আলী, রুলি বেগম, সোহেল রানা, এ টি এম হাসানুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ বছর (মুকলেসের বয়স), ১০০-১৫০ টাকা (দৈনিক আয়), ৯ হাজার টাকা (সোহেল রানার মাসিক আয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖