📌 আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরি করতে ব্যর্থ হলেও দলের পেসাররা আফগানিস্তানের ইনিংস ২৪০ রানে শেষ করে দিল। বাংলাদেশ ৩২৯ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে। অন্যদিকে, শান্তের ব্যক্তিগত রান ২৭তম ওভারের পর রিভিউয়ের মাধ্যমে বাঁচে
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে আরেকটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় লেখা হয়েছে। আফগানিস্তানের ইনিংস ২৪০ রানে শেষ করে বাংলাদেশ দল ৩২৯ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা সমাপ্ত করেছে। এই ম্যাচে বাংলাদেশের পেসারদের অলৌকিক পারফরম্যান্সের ফলে আফগানিস্তানকে দ্রুতই ইনিংসের শেষে নিয়ে আসা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত** শান্ত ও মুশফিকুর রহিম: শান্ত ১৮ রান, মুশফিক ৮১ রানে আউট হলেও বাংলাদেশের ইনিংস ৩২৯ রানে শেষ হয়।
- 📌 **হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিক** ও ৫ উইকেট: হাসান মাহমুদ ৬ উইকেট নিয়ে টেস্টে ৫০ উইকেটের ফিফটি পূরণ করেন।
- 📌 **আফগানিস্তান ২৪০ রানে ইনিংস শেষ**: অধিনায়ক রহমত শাহ ১০৫ রানে অপরাজিত থাকলেও দলের শেষ ৬ উইকেট ২৯ রানে হারায়।
- 📌 **শান্তের রান বাঁচে রিভিউয়ে**: শান্তের ২৭তম ওভারের এলবিডব্লু আবেদন রিভিউয়ে খারিজ হয়।
- 📌 **মিরপুরে শেখ মেহেদী হাসানের সেঞ্চুরি**: শেখ মেহেদী হাসান রাজশাহীকে ৬ উইকেটে পরাজিত করে সেঞ্চুরি করেন।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তের জন্য তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হয় হতাশার সাথে। আফগানিস্তানের লেগস্পিনার কায়েস আহমেদের বলের মুখে শান্তের ব্যাট ভেঙে যায়। শান্তের চোখে হতাশার চিহ্ন ফুটে উঠে যখন তিনি মাত্র ১৮ রান করে আউট হন। শান্তের এই আউটের পর মুশফিকুর রহিমও ৮১ রানে আউট হলেও বাংলাদেশের ইনিংসের লাগাম তাদের হাতে ছিল। দলের পেসারদের দ্রুততম ক্রীড়াশৈলীতে আফগানিস্তানের ইনিংস ৬১ বলেই শেষ হয়ে যায়। হাসান মাহমুদ ও ইবাদত হোসেন চৌধুরী আফগানিস্তানের শেষ ৬ উইকেট ভাগাভাগি করে নেন। হাসান মাহমুদ তৃতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এবং টেস্টে ৫০ উইকেটের ফিফটি পূরণ করেন।
আফগানিস্তানের ইনিংসের শেষে অধিনায়ক রহমত শাহ ২১৬ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় ১০৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। কিন্তু দলের শেষ ৬ উইকেট ২৯ রানে হারিয়ে আফগানিস্তান ২৪০ রানে ইনিংস শেষ করে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হয় ১০.৪ ওভারে ২ উইকেটে ৪৪ রানে। শান্তের ব্যাটিংয়ের সময় দু’বার আবেদন খারিজ হয়। প্রথমবার উইকেটরক্ষক ইকরাম আলী খিলের আবেদন খারিজ হয়, পরে রিভিউয়ে দেখা যায় বল শান্তের গ্লাভস বা ব্যাট স্পর্শ করেনি। দ্বিতীয়বার শান্তের এলবিডব্লু আবেদনও রিভিউয়ে খারিজ হয়।
অন্যদিকে, মিরপুরে অনুষ্ঠিত টেস্ট ম্যাচে শেখ মেহেদী হাসানের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স রাজশাহীকে ৬ উইকেটে পরাজিত করে। তিনি ৬ উইকেট নিয়ে সেঞ্চুরি করেন। এই সাফল্যের ফলে খুলনা দলের ওপর রাজশাহীর চাপ আরও বেড়ে যায়।
"আম্পায়ার সাড়া দেননি, কিন্তু রিভিউয়ে বল স্পর্শ করেনি — শান্তের রান বাঁচে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়াম, মিরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, হাসান মাহমুদ, রহমত শাহ, শেখ মেহেদী হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২৯ রান (বাংলাদেশের ইনিংস), ২৪০ রান (আফগানিস্তানের ইনিংস), ৬ উইকেট (হাসান মাহমুদ), ১০৫ রান (রহমত শাহ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!