📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭০ বছর বয়সেও একা বসেই চলছে ইউসুফের পুরোনো থানার হাটের দিনচর্যা

৭০ বছর বয়সেও একা বসেই চলছে ইউসুফের পুরোনো থানার হাটের দিনচর্যা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৭০ বছর বয়সী ইউসুফ একা বসে পুরোনো থানার হাটে পণ্য বিক্রি করছেন। করোনা মহামারী থেকে এই হাটে আর কোনো বিক্রেতা নেই। একসময় হাটে শতাধিক বিক্রেতা থাকলেও বর্তমানে তিনি একমাত্র টিকে আছেন

৭০ বছর বয়সী মোহাম্মদ ইউসুফ একা বসে পুরোনো থানার হাটে দিনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এই হাটে একসময় শতাধিক বিক্রেতা পণ্য বিক্রি করতেন, কিন্তু করোনা মহামারী থেকে এখন আর কোনো বিক্রেতা নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭০ বছর বয়সী ইউসুফ একা বসে পুরোনো থানার হাটে পণ্য বিক্রি করছেন — দিনে পাঁচ-ছয় হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হলে হাতে থাকে হাজারখানেক টাকা লাভ
  • 📌 ইউসুফের হাটে বিক্রি পণ্য: নয়টি কুমড়া, তিন কেজি কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মসুর ডাল
  • 📌 ২০২০ সালের করোনা মহামারী থেকে পুরোনো থানার হাটে আর কোনো বিক্রেতা নেই — ইউসুফ একমাত্র টিকে আছেন
  • 📌 ১৯৮৫ সালে পুরোনো থানার হাটের বিভাজনের পর নতুন থানার হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় বেড়েছে, পুরোনো হাটে বিক্রেতা কমেছে

📰 বিস্তারিত

৯ অক্টোবর দুপুরে পটিয়া সরকারি কলেজের দক্ষিণ পাশে পুরোনো থানার হাটে বসে ছিলেন মোহাম্মদ ইউসুফ। তার হাতে ছিল নয়টি কুমড়া, তিন কেজি কাঁচা মরিচ, কিছু পেঁয়াজ, রসুন, আদা এবং সামান্য মসুর ডাল। এই হাটের ওই অংশে আর কোনো বিক্রেতা নেই। স্থানীয় পাইকারদের কাছ থেকে অল্প কিছু পণ্য কেনে ইউসুফ দিনের শুরু করেন। হাটের আশপাশের বাসিন্দারাই তার প্রধান ক্রেতা। দিনে পাঁচ-ছয় হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হলে তিনি দোকান বন্ধ করেন। পণ্য কেনার খরচ বাদে তার হাতে থাকে হাজারখানেক টাকা লাভ।

৭০ বছর বয়সী ইউসুফ বর্তমানে অসুস্থ। হাঁটাচলায় কষ্ট হয় তার। দুই ছেলে চাকরি করেন এবং মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু ব্যবসা ছেড়ে দেননি। প্রায় এক দশক ধরে এই হাটে ব্যবসা করছেন তিনি। কম আয় হলেও দোকান ছাড়েননি। দীর্ঘদিনের অভ্যাস এবং বসার জন্য বাড়তি খরচ না থাকা — এই দুটি কারণই তাকে ব্যবসায় আগ্রহী রাখে।

এই হাটে একসময় শতাধিক বিক্রেতা পণ্য বিক্রি করতেন। কিন্তু ধীরে ধীরে বিক্রেতাদের সংখ্যা কমতে থাকে। স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা নুরুচ্ছফা মিয়া বলেন, রেলস্টেশনের পাশের নতুন থানার হাটে পণ্য ও বিক্রেতা বেশি। জায়গাও বড়। তাই ক্রেতারা সেখানে যান। ইউসুফের ভাষ্যেও একই কথা — নতুন হাটের বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো হাটে বিক্রেতা কমেছে। একসময় যেখানে কয়েক ডজন বিক্রেতা বসতেন, এখন শুধু তিনি একা বসে পণ্য বিক্রি করছেন।

"রেলস্টেশনের পাশের হাটে পণ্য বেশি, বিক্রেতা বেশি, জায়গাও বড়। ক্রেতারা সেখানেই যান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পুরোনো থানা হাট, পটিয়া সরকারি কলেজের দক্ষিণ পাশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ ইউসুফ (৭০ বছর), নুরুচ্ছফা মিয়া (প্রবীণ বাসিন্দা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর (বয়স), ৯ অক্টোবর (তারিখ), ৫-৬ হাজার টাকা (দৈনিক বিক্রি), ১৯৮৫ (হাট বিভাজনের বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖