📌 বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে পরিবারের সাথে কথাবার্তায় অভিমান বোধ করে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার যুবক সামিউল ইসলাম (২১) আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতেই তিনি নিজ ঘরে ফ্যানের রশিতে ঝুলে মৃত্যুবরণ করেন। সদর থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে
অভিমান থেকে আত্মহত্যা করে মারা যান ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার যুবক সামিউল ইসলাম। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথাবার্তায় অভিমান বোধ করে তিনি বৃহস্পতিবার রাতেই নিজ ঘরে ফ্যানের রশিতে ঝুলে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর তিনি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ বছর বয়সী সামিউল ইসলাম (২১) বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন
- 📌 বৃহস্পতিবার রাত পৌনে একটায় ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়
- 📌 সদর উপজেলার দক্ষিণ সালন্দর এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে সামিউল সালন্দর আলিয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন
- 📌 বিয়ের কেনাকাটা ও কাবিন নির্ধারণ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথাবার্তায় অভিমান বোধ করে তিনি আত্মহত্যা করেন
- 📌 সদর থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সামিউল ইসলামের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে বিলম্বের কথা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথাবার্তায় অভিমান বোধ করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার বিয়ের কেনাকাটা সম্পন্ন হয়েছিল। পরে কাবিন ও বিয়ের সময় নির্ধারণ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা হয় তাঁর। এরপর তিনি নিজ ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর তাঁকে ফ্যানের রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
মিজানুর রহমান, সামিউলের বাবা, বলেন, ‘গত বুধবার সামিউলের বিয়ের কেনাকাটা করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালে সামিউল আমার কাছে জানতে চান, বিয়েতে কতজন লোক যাবেন। আমি ২৪ জন যাওয়ার কথা জানালে তিনি ৩৫ জন যাওয়ার কথা বলেন। পরে বিয়ের ঘটক ও আত্মীয় নজরুল ইসলাম তাঁদের বাড়িতে আসেন। তাঁর সঙ্গে কনের পোশাক ও বিয়ের কাবিন নিয়ে কথা হয় আমার। একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়, বৃহস্পতিবার কাবিন হবে এবং শুক্রবার বিয়ে হবে। তবে সামিউল বৃহস্পতিবারই কাবিনসহ বিয়ের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করার কথা বলেন। এসব নিয়ে কথা বলার পর সামিউল আমার ওপর অভিমান করে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে তাঁর বন্ধুর ডাক-চিৎকার শুনে ছুটে যাই। জানালা দিয়ে দেখি, ছেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।
"এসব নিয়ে কথা বলার পর সামিউল আমার ওপর অভিমান করে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে তাঁর বন্ধুর ডাক-চিৎকার শুনে ছুটে যাই। জানালা দিয়ে দেখি, ছেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা, দক্ষিণ সালন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সামিউল ইসলাম (২১), মিজানুর রহমান, নজরুল ইসলাম, শাহজাহান আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, ২১ বছর বয়স, ২৪ জন, ৩৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!