📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যশোরের ভবদহ অঞ্চলে প্লাবিত লক্ষাধিক মানুষের জীবন কষ্টে ভরপুর, বাড়ি-ঘর পানির নিচে

যশোরের ভবদহ অঞ্চলে প্লাবিত লক্ষাধিক মানুষের জীবন কষ্টে ভরপুর, বাড়ি-ঘর পানির নিচে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের ভবদহ অঞ্চলে জুলাই মাসের অব্যাহত বৃষ্টিতে ১০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়। পানির নিচে চলে যায় বাড়ি-ঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে উঁচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানে ২১-ভেন্ট স্লুইচগেটের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে

যশোরের ভবদহ অঞ্চলে জুলাই মাসের অব্যাহত বৃষ্টির কারণে অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার অন্তত ১০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানির নিচে চলে গেছে বাড়ি-ঘর, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। পানিবন্দী হয়ে লক্ষাধিক মানুষ উঁচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানে পানি কিছুটা কমলেও বৃষ্টি হলে আবার বেড়ে যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যশোরের ভবদহ অঞ্চলে ১০০টি গ্রাম প্লাবিত, লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী
  • 📌 ৫২ বছর বয়সী সুমিত্রা মণ্ডলের বাড়ি পানির নিচে, পরিবার ও গরু নিয়ে উঁচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছে
  • 📌 ভবদহ স্লুইচগেটের ২১-ভেন্ট খুলে পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে, তবে বেশির ভাগ বাড়িতে এখনো পানি আছে
  • 📌 ৮১.৫ কিলোমিটার ছয়টি নদীর পুনঃখনন কাজ চলমান, ৫৯.৭৫ কিলোমিটার কাজ শেষ হয়েছে
  • 📌 ১৩৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকার প্রকল্পে নদী পুনঃখননের কাজ করছে সেনাবাহিনী

📰 বিস্তারিত

যশোরের ভবদহ অঞ্চলে পানিবন্দী হয়ে আছেন লক্ষাধিক মানুষ। পানির নিচে চলে গেছে বাড়ি-ঘর, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সুমিত্রা মণ্ডল (৫২) বলেন, ‘ঘরের মধ্যে এক হাত জল উঠেছিল। এখন কমে এক বিঘত দাঁড়িয়েছে। উঠানে হাঁটুজল। তিন মাস ধরে রাস্তার ওপর আছি। স্বামী দুইবার স্ট্রোক করে খুবই অসুস্থ। আয়রোজগার তেমন নেই। খুব কষ্টে আছি।’

অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার প্লাবিত এলাকায় বাড়ি-ঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনায় পানি ঢোকে। ভবদহ স্লুইচগেট দিয়ে ৫৪টি বিলের পানি নিষ্কাশিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পলি পড়ে নদী নাব্যতা হারিয়ে ফেলেছে। ফলে বৃষ্টির পানি বিলগুলোতে জমে প্লাবন ঘটেছে।

ভুক্তভোগী মহানন্দ মণ্ডল বলেন, ‘উঠানে দেড় হাত আর ঘরের মধ্যে এক বিঘত জল। ঘরে থাকতে না পেরে রাস্তায় উঠেছি।’ বর্তমানে ভবদহ স্লুইচগেটের ২১-ভেন্ট খুলে পানি বের হচ্ছে। তবে বেশির ভাগ বাড়িতে এখনো পানি আছে। ছয়টি নদীর ৮১.৫ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ চলমান। এর মধ্যে ৫৯.৭৫ কিলোমিটার কাজ শেষ হয়েছে।

"ঘরের মধ্যে এক হাত জল উঠেছিল। এখন কমে এক বিঘত দাঁড়িয়েছে। উঠানে হাঁটুজল। তিন মাস ধরে রাস্তার ওপর আছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোরের ভবদহ অঞ্চল (অভয়নগর, মনিরামপুর, কেশবপুর উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমিত্রা মণ্ডল (৫২), মহানন্দ মণ্ডল, দিপালী মণ্ডল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০টি গ্রাম প্লাবিত, ৫৪টি বিলের পানি, ২১-ভেন্ট স্লুইচগেট, ৮১.৫ কিলোমিটার পুনঃখনন, ১৩৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা প্রকল্প

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖