📌 রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার জেলেপল্লিতে যমুনেশ্বরীর তীরে মাছধারা ২৫০টি পরিবারের জীবন নদীর মাছের ওপর নির্ভরশীল। মাছের কমতি ও খাদ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে পূজার জন্য কেনাকাটা করতে পারছেন না তারা
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার জলুবার এলাকার যমুনেশ্বরীর তীরে মাছধারা ২৫০টি পরিবারের জীবন নদীর মাছের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু মাছের কমতি ও খাদ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে তারা উৎসবের প্রস্তুতি নিতে পারছেন না। জেলেপল্লির বাসিন্দারা মাছ ধরার পেশা ছেড়ে অন্য কোনো কাজের সুযোগ না পেয়ে কষ্টের জীবন যাপন করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার জলুবার এলাকায় যমুনেশ্বরীর তীরে ২৫০টি পরিবারের জীবন মাছধারা পেশার ওপর নির্ভরশীল
- 📌 মাছের কমতি ও খাদ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে পূজার জন্য কেনাকাটা করতে পারছেন না তারা
- 📌 দিনে মাত্র ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করে ২৫০টি পরিবার সংসার চালাচ্ছে
- 📌 সরকারি সহায়তা ও নদী মৎস্যসম্পদ সংক্রান্ত কার্যক্রমে সুযোগ পাচ্ছেন না জেলেদের
📰 বিস্তারিত
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের জলুবার এলাকায় যমুনেশ্বরীর তীরে অবস্থিত জেলেপল্লিতে প্রায় ২৫০টি পরিবারের জীবন মাছধারা পেশার ওপর নির্ভরশীল। এই এলাকার জেলেদের মধ্যে অন্যতম দ্বিজেন চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, ‘আমরা মাছ ধরিয়েই দিন কাটাই। কিন্তু এখন আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না। নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে, কিন্তু আমাদের আয় কমেছে।’
দ্বিজেনের মতো জেলেপল্লির অধিকাংশ পরিবারই পূজার জন্য নতুন পোশাক কিনতে পারছেন না। জেলে হৃদয় চন্দ্র দাসের কথায়, ‘মাছ মারি খাই। চালের দাম এত বেড়েছে যে এক সের চাল কিনে খেতে হয়। পূজার জন্য নতুন জামা কিনার সামর্থ্য নেই।’
প্রলাদ চন্দ্র দাসের পরিবারে এক মেয়ে ও তিন ছেলে। তিনি মাছ ধরার পাশাপাশি ভাঙাচোরা ভ্যান চালান। কিন্তু তারাও পূজার জন্য কেনাকাটা করতে পারছেন না। তিনি বলেন, ‘উৎসবের আনন্দ থাকলেও টাকা-পয়সা না থাকলে কীভাবে উৎসব করব?’
জেলেপল্লির আরেক বাসিন্দা শিমুতি দাসের স্বামী মারা গেছেন। তিনি জমিতে কাজ করে সংসার চালান। কিন্তু দিনে কখনো তিন মাস, কখনো ছয় মাস কাজ মেলে না। তিনি বলেন, ‘টাকা-পয়সা নাই, এখন কী দিয়ে কেনাকাটা করব?’
"আমরা গরিব মানুষ। আমরা জানি না উপরের র্যাংকের লোক কাকে ধরতে হবে বা কে আমাদেরকে দেবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যমুনেশ্বরীর তীর, জলুবার এলাকা, তারাগঞ্জ উপজেলা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দ্বিজেন চন্দ্র দাস, হৃদয় চন্দ্র দাস, প্রলাদ চন্দ্র দাস, শিমুতি দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০টি পরিবার, ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!