📌 সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় যমুনার তীব্র ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে অন্তত অর্ধশত বিঘা ফসলি জমি। অবৈধ বালু উত্তোলন ও নদী সংরক্ষণের অভাবের কারণে প্রতি বছরই এই এলাকার মানুষ জমি হারাচ্ছেন। স্থানীয়রা দাবি করছেন, সরকারি কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এলাকার মানুষের জীবিকা বিপন্ন হবে
সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় যমুনা নদীর তীব্র ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে অন্তত অর্ধশত বিঘা ফসলি জমি। বর্ষা মৌসুমের শেষে শুরু হওয়া এই ভাঙ্গন প্রতিবছরই এলাকার মানুষের জীবিকা ও বাসস্থানকে বিপন্ন করছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, অবৈধ বালু উত্তোলন ও নদী সংরক্ষণের অভাবের কারণে প্রতি বছরই এই এলাকায় শত শত বিঘা জমি হারাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জ কাজীপুরে যমুনার ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে অন্তত ৫০ বিঘা ফসলি জমি
- 📌 গত ২৪ সেপ্টেম্বর চরগিরিশ ইউনিয়নে ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভাঙ্গন সৃষ্টি, ২০ বিঘা জমি হারায়
- 📌 অবৈধ বালু উত্তোলন ও নদী সংরক্ষণের অভাবের কারণে প্রতি বছরই ভাঙ্গন তীব্র হচ্ছে
- 📌 ১০টি ইউনিয়নের ১৩ বিঘা জমি বিলীন, স্থানীয়রা দাবি করছেন বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি
- 📌 পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি, ভাঙ্গন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলা হয়নি
📰 বিস্তারিত
কাজীপুর উপজেলা যমুনা ও ইছামতি নদীর মধ্যবর্তী এলাকা। প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমের শেষে যমুনার ভাঙ্গন শুরু হয়। এই বছরও গত আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চরাঞ্চলের চরগিরিশ ও ভেটুয়া গ্রামসহ এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহের ভাঙ্গনে প্রায় ২০ বিঘা তিন ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ভাঙ্গন ঝুঁকিতে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক, ব্রিজ ও বসতবাড়ি।
চরাঞ্চলের খাসরাজবাড়ী, নাটুয়ারপাড়া, তেকানী, নিশ্চিন্তপুর, মনসুর নগর, চরগিরিশ ইউনিয়ন ও নদী তীরবর্তী মাইজবাড়ী, কাজীপুর, গান্ধাইল ও শুভগাছা — এই ১০টি ইউনিয়নে প্রতি বছরই ভাঙ্গন দেখা দেয়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে। এতে ভাঙ্গন তীব্র হচ্ছে।
বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। স্থানীয়রা দাবি করছেন, শুষ্ক মৌসুমে নদীর সংরক্ষণের কোনো পদক্ষেপ নেয়া না হলে প্রতি বছরই এই ধরনের বিপর্যয় ঘটবে।
"নদীতে অবৈধভাবে বালু কেটে গর্ত করার কারণে আমাদের জমিজমা ভেঙ্গে নদীতে চলে যাচ্ছে। আমার সাত পাখি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ বছর আমি কোনো ফসল আবাদ করতে পারিনি।" — আজিবার আলী, ভেটুয়া গ্রামের বাসিন্দা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাজীপুর উপজেলা, সিরাজগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজিবার আলী, আব্দুর রাজ্জাক, হারুন অর রশিদ, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বিঘা (জমি হার), ২০ বিঘা (গত সপ্তাহে হার), ১৩ বিঘা (মাইজবাড়ী এলাকায় হার), ১০ ইউনিয়ন (ভাঙ্গন ঝুঁকিতে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!