📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইয়াবা ব্যবসায়ের গোপনীয়তা ভাঙার ভয়ে হত্যা: দুই বছরের পর পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার, রাহুলের অটোরিকশা বিক্রি করে দেওয়া হত্যাকারীদের

ইয়াবা ব্যবসায়ের গোপনীয়তা ভাঙার ভয়ে হত্যা: দুই বছরের পর পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার, রাহুলের অটোরিকশা বিক্রি করে দেওয়া হত্যাকারীদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার নবাবগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন ১৯ বছর বয়সী রাহুল। পরদিন আর ফিরেননি। দুই বছরের তদন্তের পর পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, রাহুলের পূর্বপরিচিত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা তাঁকে হত্যা করে অটোরিকশা বিক্রি করে দিয়েছিলেন

২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী রাহুল। পরদিন আর তার বাড়ি ফিরেননি। দুই বছরের তদন্তের পর পুলিশ বুঝতে পারলেন, রাহুলের পূর্বপরিচিত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা তাঁকে হত্যা করে অটোরিকশা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। অবশেষে পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় রাহুলের বাড়ি থেকে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান, পরদিন আর ফিরেননি।
  • 📌 ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়ার্কশপের পাশে ভুট্টা খেতের ঝোঁপ থেকে রাহুলের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
  • 📌 দুই বছরের তদন্তের পর পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে মো. সবুজ মিয়া (২৮) ও মো. লালন মোল্লা (৪৩) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
  • 📌 ইয়াবা ব্যবসায়ের গোপনীয়তা ভাঙার ভয়ে রাহুলকে হত্যা করা হয়। প্রথমে ইয়াবা সেবন করানো হয়, পরে লোহার অ্যাঙ্গেল, ব্লেড ও অটোরিকশার ব্যাটারি দিয়ে আঘাত করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।
  • 📌 রাহুলের লাশ গরুর খামারে দুই দিন রাখা হয়, পরে ওয়ার্কশপের পাশে ফেলে দেওয়া হয়।

📰 বিস্তারিত

রাহুলের বাবা মো. আবদুর রহমান জানান, তাঁর পুত্র রাতের খাবার খেয়ে ওমর ফারুকের ওয়ার্কশপে ঘুমাতে যান। পরদিন বাড়ি না ফেরায় তিনি ওয়ার্কশপে খোঁজ করেন, কিন্তু সেখানে রাহুলকে পাওয়া যায়নি। ৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ওয়ার্কশপের পাশে ভুট্টা খেতের ঝোঁপ থেকে রাহুলের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা করা হয়, পরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পিবিআই তদন্তে জানা যায়, রাহুলের পূর্বপরিচিত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা তাঁকে হত্যা করে অটোরিকশা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। আসামিরা জানান, রাহুল ইয়াবা ব্যবসায়ের গোপনীয়তা ভাঙার ভয়ে তাঁকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাহুলকে ডেকে নিয়ে প্রথমে ইয়াবা সেবন করানো হয়। এরপর লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে মাথায় আঘাত, ব্লেড দিয়ে কান ও মুখে আঘাত এবং অটোরিকশার ব্যাটারি দিয়ে মুখে আঘাত করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বলেন, রাহুলের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর লাশ অটোরিকশায় বসিয়ে আসামিরা সজলের গরুর খামারে নিয়ে যান। সেখানে মৃতদেহ দুই দিন রাখা হয়। পরে ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার পর রাহুলের মরদেহ ওমর ফারুকের ওয়ার্কশপের পাশে ফেলে রাখা হয়।

"রাহুল ও আসামিরা পূর্বপরিচিত ছিলেন। ইয়াবা কেনাবেচা ও সেবনের সূত্র ধরেই তাঁদের মধ্যে পরিচয় হয়েছিল। পরে ইয়াবা বিক্রির তথ্য ফাঁস করার আশঙ্কায় রাহুলকে হত্যা করা হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা, চক সিংহড়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল (১৯), মো. সবুজ মিয়া (২৮), মো. লালন মোল্লা (৪৩), মো. আবদুর রহিম (পিবিআই এসআই), এম এন মোর্শেদ (পুলিশ সুপার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন আসামি গ্রেপ্তার, ২ বছর তদন্ত, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖