📌 ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে স্কুলের মাঠ সম্প্রসারণের জমি নিয়ে সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে সাতজন আহত হয়েছেন। আইনজীবী খায়ের উদ্দিন সিকদারসহ তার পরিবারের সদস্যরা আক্রান্ত হন। উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছেন
ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে স্কুলের মাঠ সম্প্রসারণের জমি নিয়ে সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে সাতজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনজীবী খায়ের উদ্দিন সিকদারসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্য আক্রান্ত হন। উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে স্কুলের মাঠ সম্প্রসারণের জমি নিয়ে সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে সাতজন আহত হন
- 📌 স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন সিকদারসহ তার পাঁচ ভাই আহত হন
- 📌 মোশারফ গং ও তার পরিবারের সদস্যরা স্কুলের জমি দখল ও পরিবারের কবরের ওপর স্কুল নির্মাণের অভিযোগ তুলেছেন
- 📌 স্কুলের সভাপতি মানিক বাঘা বলেছেন, তিনি সালিশে বসেছিলেন কিন্তু উভয় পক্ষের উত্তেজনা সংঘর্ষে পরিণত হয়
- 📌 পুলিশ জানান, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেনি, তদন্তের জন্য অপেক্ষা করছেন
📰 বিস্তারিত
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত আব্দুল হাকিম বাঘা আদর্শ স্কুলের খেলার মাঠ সম্প্রসারণের জন্য হালিমা খাতুনের কাছ থেকে চার শতাংশ জমি কেনা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে স্থানীয় মোশারফ গং ও তার পরিবার জমির মালিকানা দাবি করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন। স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মোশারফ গং পুনরায় কাজ চালিয়ে যান এবং জমি ছেড়ে না দিলে স্কুলের ইট নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন।
শনিবার বিকেলে স্কুলের সভাপতি মানিক বাঘার উদ্যোগে সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষ নিজেদের জমির মালিকানা দাবি করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আইনজীবী খায়ের উদ্দিন সিকদার বলেন, সালিশের পরে তার পরিবার বাড়ি যাওয়ার সময় মানিক বাঘার নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন তাদের ওপর হামলা চালায়। তিনি দাবি করেন, হামলায় তিনি নিজে ও তার পাঁচ ভাই আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছে অ্যাডভোকেট খায়ের উদ্দিন সিকদার, নুরুদ্দিন সিকদার ওয়াসিম, নাসির উদ্দিন নাগর, জসিম উদ্দিন ও নিজাম উদ্দিন দুলাল।
অপরদিকে মোশারফ গং হামলা অস্বীকার করে বলেন, স্কুলের পক্ষ জোর করে তাদের জমি ও পরিবারের কবরের ওপর স্কুলঘর নির্মাণ করেছে। তিনি দাবি করেন, স্কুলের মাঠের নামে তাদের জমি দখলের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, তাদের প্রতিবাদ করায় স্কুলের পক্ষ উত্তেজিত হয়ে উল্টো তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলায় হিরন বাঘা গুরুতর আহত হয়ে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্কুলের সভাপতি মানিক বাঘা বলেন, তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সালিশে বসেছিলেন। কিন্তু উভয় পক্ষের উত্তেজনা সংঘর্ষে পরিণত হয়। তিনি দাবি করেন, তার বা তার পরিবারের কোনো হাত নেই এবং অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
"পুরো ঘটনার মাস্টারমাইন্ড মানিক বাঘা। তার পরিকল্পনায় তার ছেলে হিরন বাঘাসহ অন্যরা আমাদের ওপর হামলা করেছে।"
"আমরা জোর করে আমাদের জমি ও পরিবারের কবরের ওপর স্কুলঘর নির্মাণ করেছে। এখন স্কুলের মাঠের নামে আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন, ৩ নম্বর ওয়ার্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খায়ের উদ্দিন সিকদার (আইনজীবী), মোশারফ গং, মানিক বাঘা, হিরন বাঘা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আহত, ২০-২৫ জন হামলাকারী, ৩ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!