📌 ঢাকার উত্তরায় পোশাকশ্রমিকরা ৩০ হাজার টাকা বেতন ও বকেয়া দাবিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যের হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং তাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘটনার পরপরই উত্তরা পরিদর্শন করেন
ঢাকার উত্তরায় পোশাকশ্রমিকদের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় শ্রমিকদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরা আহত হন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে একটিতে রাজলক্ষ্মী এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পোশাকশ্রমিকরা ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতন ও বকেয়া দাবিতে উত্তরায় পঞ্চম দিনের মতো আন্দোলন করছেন।
- 📌 শ্রমিকেরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং শিল্প পুলিশের দু’টি গাড়ি ভাঙচুর করেন।
- 📌 সংঘর্ষে শ্রমিকেরা পুলিশ সদস্যের হাত ভেঙে দেন।
- 📌 উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. রেজাউল করিম জানান, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
- 📌 ঘটনার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তরা রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেন।
📰 বিস্তারিত
১৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজলক্ষ্মী এলাকায় পোশাকশ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করেন। তারা উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্বপাশ অবরোধের চেষ্টা করেন। পুলিশ বাধা দিলে শ্রমিকেরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিপেটা, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করেন।
উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. রেজাউল করিম জানান, সংঘর্ষের সময় শ্রমিকেরা শিল্প পুলিশের দু’টি গাড়ি ভাঙচুর করেন এবং পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে তার হাত ভেঙে দেন। তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
এ ঘটনার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তরা রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে যান।
"সকাল ১০টার দিকে উত্তরার উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা জড়ো হতে শুরু করেন। পরে তারা রাজলক্ষ্মী এলাকায় একত্রিত হন এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরা, ঢাকা (রাজলক্ষ্মী এলাকা, উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপপুলিশ কমিশনার মো. রেজাউল করিম, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পোশাকশ্রমিকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা (বেতন), ১৭ অক্টোবর (তারিখ), ১১ টা (সংঘর্ষের সময়), ১০ টা (শুরু হওয়ার সময়), ৪ নম্বর (সেক্টর), ১৩ নম্বর (সড়ক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!