📌 উত্তরার পোশাকশ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবি করে তৃতীয় দিন সড়ক অবরোধ করছেন। বিমানবন্দর সড়কেও বন্ধ করে দিয়েছে তারা, যার ফলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকরা দাবি করেছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাতে হবে অথবা মজুরি বাড়াতে হবে
উত্তরার পোশাকশ্রমিকরা তৃতীয় দিন সড়ক অবরোধের মাধ্যমে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবি করছেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজলক্ষ্মী ও আজমপুর এলাকার পোশাক কারখানাগুলো থেকে এক হাজারাধিক শ্রমিক সড়কে নেমে আসেন। তারা বিমানবন্দর সড়কের দিকে সরে গেলে ওই সড়কেও যানজটের সৃষ্টি হয়। যানবাহন চলাচল বন্ধের কারণে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি হয়। বিক্ষোভের সময় শ্রমিকেরা ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাও, নয়তো মজুরি বাড়াও’ স্লোগান দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উত্তরার পোশাকশ্রমিকরা তৃতীয় দিন সড়ক অবরোধ করছেন, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা দাবি করে
- 📌 বিমানবন্দর সড়কেও বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিকরা, যার ফলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে
- 📌 শ্রমিকরা দাবি করেছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাতে হবে অথবা মজুরি বাড়াতে হবে
- 📌 পর্যটন খাতের ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের দাবি, সাজেক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে
📰 বিস্তারিত
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজলক্ষ্মী ও আজমপুর এলাকার পোশাক কারখানাগুলো থেকে এক হাজারাধিক শ্রমিক সড়কে নেমে আসেন। তারা বিমানবন্দর সড়কের দিকে সরে গেলে ওই সড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) রুবেল হক জানান, শ্রমিকেরা আজ সকালে আজমপুর এলাকায় সড়কে নেমে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। পরে তারা বিমানবন্দরের দিকে সরে গেলে বিমানবন্দর সড়কেও বন্ধ হয়ে যায়।
বিক্ষোভের সময় শ্রমিকরা ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাও, নয়তো মজুরি বাড়াও’ স্লোগান দেন। যানবাহন আটকে থাকায় অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শ্রমিক শরিফা বেগম বলেন, ‘আমাদের একটাই দাবি—হয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাতে হবে, নয়তো আমাদের মজুরি বাড়াতে হবে, যাতে আমরা জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে পারি।’
উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শাহজাহান হোসেন জানান, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ বিভিন্ন দাবিতে সোমবার থেকে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়কে বিক্ষোভ করছেন। উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোর্শেদ আলম জানান, বুধবার দুপুর ১টার দিকে শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে রেখেছিলেন।
বক্তারা বলেন, পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িত হাজারো শ্রমিক ও ব্যবসায়ী সাজেক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করলে তারা হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।
"আমাদের একটাই দাবি—হয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাতে হবে, নয়তো আমাদের মজুরি বাড়াতে হবে, যাতে আমরা জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে পারি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরা, রাজলক্ষ্মী ও আজমপুর এলাকা, বিমানবন্দর সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফা বেগম (শ্রমিক), রুবেল হক (এডিসি), শাহজাহান হোসেন (ডিসি), মো. মোর্শেদ আলম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা (ন্যূনতম মজুরি দাবি), ১০ টা (সকাল সাড়ে), ১ টা (দুপুর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!