📌 উত্তরার পোশাক শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধি ও বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হন। পুলিশ লাঠিপেটা ও গ্যাস ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়
উত্তরার পোশাক শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধি ও বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। রাজধানীর উত্তরায় গত শনিবার সকালে বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষে পুলিশের ১৯ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জনেরও বেশি আহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ হাজার টাকা সর্বনিম্ন বেতন ও বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে উত্তরার পোশাক শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
- 📌 সকাল ১০টায় উত্তরখান ও দক্ষিণখান এলাকার শ্রমিকরা রাজলক্ষ্মী সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।
- 📌 শ্রমিকরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও শিল্প পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে তাঁর হাত ভেঙে দেওয়া হয়।
- 📌 পুলিশ লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
- 📌 বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, উত্তরার চার-পাঁচটি কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কারা আছে, তাদের খুঁজে বের করা দরকার।
📰 বিস্তারিত
উত্তরায় গতকাল শনিবার সকালে পোশাক শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধি ও বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। রাজলক্ষ্মীতে সকাল ১০টার দিকে উত্তরখান ও দক্ষিণখান এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট ও জসীমউদ্দীন মোড়ে জড়ো হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজলক্ষ্মীসংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্র হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশ অবরোধের চেষ্টা করেন।
পুলিশ তাদের বাধা দিলে শ্রমিকেরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা শিল্প পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করেন এবং এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে তাঁর হাত ভেঙে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিপেটার পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশের ১৯ সদস্যসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. রেজাউল করিম জানান, শ্রমিকেরা বারবার জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে রাস্তা আটকে আন্দোলন করছেন। তিনি বলেন, এদিকে বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, উত্তরার চার-পাঁচটি কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কারা আছে, তাদের খুঁজে বের করা দরকার। তিনি উল্লেখ করেন, যদি এখানে শ্রমিকদের অসন্তোষ থাকে, তবে সারা দেশে বিক্ষোভ হওয়ার কথা।
"বারবার জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে রাস্তা আটকে আন্দোলন করছেন তাঁরা। এদিকে শ্রমিকদের অসন্তোষ থাকলে সারা দেশে বিক্ষোভ হওয়ার কথা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রেজাউল করিম (ডিসি), ইনামুল হক খান (বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা (সর্বনিম্ন বেতন), ১৯ জন (পুলিশ সদস্য), ৫০+ জন (আহত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!