📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বরিশালের উজিরপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে সরকারি জমিতে নির্মিত বসতঘর: স্থানীয়দের প্রশ্নের জন্ম

বরিশালের উজিরপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে সরকারি জমিতে নির্মিত বসতঘর: স্থানীয়দের প্রশ্নের জন্ম

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 নয়া দিগন্ত ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের সরকারি জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ছয় বছর ধরে চলমান মামলায় বাদী সুকদেব মণ্ডল জানান, অমল সাহা ও তার ছেলে দীপঙ্কর সরকারি জমিতে নির্মাণ করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্তের কথা বলেছেন

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় সরকারি জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ছয় বছর ধরে চলমান মামলার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, হারতা ইউনিয়নের সরকারি জমিতে অমল সাহা ও তার ছেলে দীপঙ্কর নতুন করে বসতঘর নির্মাণ করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং সরকারি জমিতে থাকা একটি আমগাছও কেটে ফেলা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের সরকারি জমিতে (১৫১৫ দাগ) ৫১ শতক জমির মধ্যে ২২ শতক দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ
  • 📌 ২০১৯ সাল থেকে আদালতে চলমান মামলায় বাদী সুকদেব মণ্ডল ও সুশান্ত মণ্ডল সরকার, জেলা প্রশাসক ও ভূমি কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করে মামলা করেছেন
  • 📌 আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায়ও অমল সাহা ও দীপঙ্কর সরকারি জমিতে বসতঘর নির্মাণ করেছেন
  • 📌 স্থানীয় কর্মকর্তা মোরসেদ রিয়াজ জানান, জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখল সম্পর্কিত তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে
  • 📌 উজিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার উম্মে সালমা খাতুন বলেছেন, সরকারি সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ ও দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে

📰 বিস্তারিত

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের সরকারি জমিতে (১৫১৫ দাগ) ৫১ শতক জমির মধ্যে প্রায় ২২ শতক জমি দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, এই জমিতে বসতঘর নির্মাণের কাজ শুক্রবার রাতে শুরু হয়েছিল। স্থানীয়রা আরও জানান, জমির এক পাশে থাকা একটি আমগাছও কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় সুকদেব মণ্ডল ও সুশান্ত মণ্ডল ২০১৯ সাল থেকে এই জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে আদালতে মামলা করছেন। মামলায় সরকার, জেলা প্রশাসক ও ভূমি কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে।

মামলার বাদী সুকদেব মণ্ডল বলেন, মামলাটি এখনো চলমান এবং আদালত থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে। এরপরও অমল সাহা ও তার ছেলে দীপঙ্কর সরকারি জমিতে বসতঘর নির্মাণ করেছেন। তিনি দাবি করেন, সরকারি জমির সীমানা নির্ধারণ করে বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা দরকার। স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তা মোরসেদ রিয়াজ জানান, ১৫১৫ দাগে সরকারের ৫১ শতক জমি রয়েছে এবং এর মধ্যে প্রায় ২২ শতক জমি দখলে থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানান, জমিতে থাকা তিনটি গাছের মধ্যে একটি আমগাছ কেটে ফেলা হয়েছে।

উজিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা খাতুন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সরকারি সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ ও দখলের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। তিনি আরও বলেন, আদালতের কোনো আদেশ থাকলে সেটিও যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

"মামলাটি এখনো চলমান। আদালত থেকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে। এরপরও অমল সাহা ও তার ছেলে দীপঙ্কর সরকারি জমিতে বসতঘর নির্মাণ করেছেন। সরকারি জমির সীমানা নির্ধারণ করে বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত হওয়া দরকার।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হারতা ইউনিয়ন, উজিরপুর উপজেলা, বরিশাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুকদেব মণ্ডল, অমল সাহা, দীপঙ্কর, মোরসেদ রিয়াজ, উম্মে সালমা খাতুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ শতক (সরকারি জমি), ২২ শতক (দখলকৃত জমি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖