📌 টঙ্গীর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় সকাল ১০টায় আগুন লেগে ২০টি ফায়ার ইউনিটের ৪ ঘণ্টার চেষ্টায় পুরোপুরি নিভেনি। দুটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, একজন ফায়ার সার্ভিস কর্মী গুরুতর আহত হন। সেনাবাহিনী ও বিজিবির সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও পুরোপুরি নিভতে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে
টঙ্গীর একটি ওষুধ উৎপাদনকারী কারখানায় সকাল ১০টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ২০টি ফায়ার ইউনিটের প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুরোপুরি নিভতে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় কারখানার দুটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজন ফায়ার সার্ভিস কর্মী গুরুতর আহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সকাল ১০টায় টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় আগুন লেগে ২০টি ফায়ার ইউনিটের ৪ ঘণ্টার চেষ্টায় পুরোপুরি নিভেনি।
- 📌 দুটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার মধ্যে একটি অ্যান্টিবায়োটিক প্ল্যান্ট ছিল। সেখানে ড্রাই সিরাপ ও অ্যান্টিবায়োটিক ক্যাপসুল মোড়কজাত করা হতো।
- 📌 একজন ফায়ার সার্ভিস কর্মী চারতলা ভবনের লোহার সিঁড়ি ভেঙে পড়লে গুরুতর আহত হন।
- 📌 সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা দুপুরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করেন।
- 📌 আগুন নেভাতে টঙ্গী, উত্তরা, গাজীপুর চৌরাস্তা, কুর্মিটোলা, রাজেন্দ্রপুর ও পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের ইউনিটসহ মিরপুর থেকে হ্যাজম্যাট টেন্ডারও পাঠানো হয়।
- 📌 কারখানার ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম বাদল জানান, আগুন লেগেছিল ইউনিট-২-এর চতুর্থ তলায়। কোনো দাহ্য পদার্থ না থাকায় শ্রমিক-কর্মচারীরা নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
- 📌 গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, আগুনে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে পরে।
- 📌 ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোলতানুর আফরিন জুনায়েদ জানান, পুরোপুরি আগুন নিভাতে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তদন্তের পর ক্ষয়ক্ষতির কারণ ও পরিমাণ জানা যাবে।
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা ধোঁয়া ও আগুন দেখে আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভয় পেয়েছিলেন তারা।
📰 বিস্তারিত
টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ উৎপাদনকারী কারখানায় সকাল ১০টায় আগুন লেগে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিটের প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুরোপুরি নিভতে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় কারখানার দুটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একজন ফায়ার সার্ভিস কর্মী গুরুতর আহত হন।
আগুন লেগেছিল কারখানার ইউনিট-২-এর চতুর্থ তলায়। কারখানার সিনিয়র ম্যানেজার (অ্যাডমিন) শহিদুল ইসলাম বাদল জানান, আগুন লেগেছিল অ্যান্টিবায়োটিক প্ল্যান্টে, যেখানে ড্রাই সিরাপ ও অ্যান্টিবায়োটিক ক্যাপসুল মোড়কজাত করা হতো। কোনো দাহ্য পদার্থ না থাকায় শ্রমিক-কর্মচারীরা নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। ফলে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোলতানুর আফরিন জুনায়েদ জানান, ‘আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভাতে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং কী কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন সহায়তা করেছে।’
গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজ করেছেন। পরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। আগুনে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। চারতলা ভবনের লোহার সিঁড়ি ভেঙে একজন ফায়ার সার্ভিস কর্মীর ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
"আগুন লেগেছিল ইউনিট-২-এর চতুর্থ তলায়। সেখানে কোনো দাহ্য পদার্থ ছিল না। শ্রমিক-কর্মচারীরা নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।"
— শহিদুল ইসলাম বাদল, কারখানার সিনিয়র ম্যানেজার (অ্যাডমিন)
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টঙ্গী, চেরাগ আলী এলাকা, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহিদুল ইসলাম বাদল (কারখানার ম্যানেজার), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোলতানুর আফরিন জুনায়েদ (ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক), মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া (গাজীপুর জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি ফায়ার ইউনিট, ৪ ঘণ্টা, ১৫ লাখ টাকা (রংপুরের ক্ষতির পরিমাণ), ১৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!