📌 ঠাকুরগাঁও জেলায় আগাম শিমের উৎপাদন বাড়ার সাথে সাথে দাম কমে যাচ্ছে। কৃষকদের কাছে শিমের দাম ৮৫ টাকা কেজি, কিন্তু ভোক্তাদের কাছে তা ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকরা দামের পতনের কারণে লাভের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বিগ্ন
ঠাকুরগাঁও জেলায় শীতকালীন আগাম শিমের উৎপাদন বাড়ার সাথে সাথে বাজারে দামের পতন ঘটেছে। কৃষকদের কাছে শিমের দাম এখন ৮৫ টাকা কেজি, কিন্তু ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি বাজারে ভোক্তাদের কাছে একই শিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজিতে। উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে দামের পতন ঘটেছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠাকুরগাঁও জেলায় কৃষকদের কাছে আগাম শিমের দাম ৮৫ টাকা কেজি, ভোক্তাদের কাছে ১৪০ টাকা কেজি
- 📌 শুরুর দিকে কৃষকরা প্রতি কেজি ১৫০ টাকা দাম পেয়েছিলেন, কিন্তু উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে দাম কমে ৮৫ টাকা হয়েছে
- 📌 সদর উপজেলার বালিয়াখুড়ি ও পীরগঞ্জের চানগাঁও এলাকায় শিম চাষের পরিমাণ বাড়ার সাথে সাথে দাম কমে যাচ্ছে
- 📌 কৃষকরা খরচ কম এবং দ্রুত ফলন পাওয়ার কারণে আগাম শিম চাষ করছেন, কিন্তু দামের পতনের কারণে লাভের সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে
- 📌 অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি ও তীব্র গরমের কারণে শিমের উৎপাদনেও ঝুঁকি রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার বালিয়াখুড়ি ও পীরগঞ্জ উপজেলার খনগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে শীতকালীন আগাম শিমের চাষ বাড়ছে। কৃষকরা শিমের উৎপাদন বাড়ানোর সাথে সাথে দাম কমে যাওয়ার কারণে উদ্বিগ্ন। কৃষকরা বলছেন, শিম চাষে খরচ কম এবং ফলন দ্রুত আসে। কিন্তু একসঙ্গে অনেক কৃষকের শিম বাজারে উঠলে দাম দ্রুত কমে যায়।
সদর উপজেলার বালিয়াখুড়ি গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন ২৫ শতক জমিতে শিম চাষ করেছেন। তিনি চার দফায় শিম বিক্রি করেছেন। প্রথম দফায় প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, দ্বিতীয় দফায় ১২০ টাকা, তৃতীয় দফায় ১০০ টাকা এবং সর্বশেষ ৮৫ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, ২৫ শতক জমিতে বীজ, সার, কীটনাশক ও মাচা তৈরিতে তাঁর খরচ হয়েছে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা।
পীরগঞ্জের চানগাঁও গ্রামের হামিদুল ইসলাম (৪৮) ৩৩ শতক জমিতে শিম চাষ করেছেন। তিনি বলেন, শুরুতে প্রতি কেজি ১৪০ টাকা দাম পেয়েছিলেন, কিন্তু গত শনিবার বিক্রি করেছেন ৯০ টাকায়। তিনি জানান, মৌসুমের শুরুতে দাম ভালো থাকে বলে আগেভাগে শিম চাষ করেন।
কৃষকরা বলছেন, অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি ও তীব্র গরমের কারণে শিমের উৎপাদনেও ঝুঁকি রয়েছে। কৃষক শরিফুল ইসলাম (৬২) বলেন, অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি ও তীব্র গরমে শিমগাছের ফুল ঝরে যায় এবং শিকড় পচে যায়। এছাড়াও ফল ছিদ্রকারী পোকা ও জাব পোকার আক্রমণেও উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
"অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি ও তীব্র গরমে শিমগাছের ফুল ঝরে যায়। কখনো শিকড় পচে যায়। এ ছাড়া ফল ছিদ্রকারী পোকা ও জাব পোকার আক্রমণও হয়। তখন বাড়তি বালাইনাশক ব্যবহার করতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও জেলা (বালিয়াখুড়ি, পীরগঞ্জ, চানগাঁও, কালীবাড়ি বাজার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেলোয়ার হোসেন, হামিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, পরিমল রায়, আশরাফুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ টাকা (কৃষকের দাম), ১৪০ টাকা (ভোক্তার দাম), ১৫০ টাকা (শুরুর দাম), ২৫ শতক (দেলোয়ারের জমি), ৩৩ শতক (হামিদুলের জমি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!