📌 টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন জরিমানার পরও অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি করছে। স্থানীয়রা দাবি, জরিমানার পরদিনই আবার শুরু হয়েছে এই অবৈধ কার্যক্রম
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবস্থিত একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন জরিমানার পরও অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার পরদিনই আবার শুরু হয়েছে এই অবৈধ কার্যক্রম। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাসে অবস্থিত মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনটি এই সমস্যায় জড়িত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ অক্টোবর মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তৌহিদ রেজা অভিযান চালিয়ে স্টেশন মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে ১ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছিলেন।
- 📌 জরিমানার পরদিন ১৩ অক্টোবর থেকেই আবার কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি শুরু হয়।
- 📌 কাভার্ড ভ্যানে সারি সারি সিলিন্ডার রাখা হচ্ছে, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।
- 📌 স্থানীয়রা দাবি, রাষ্ট্রীয় সম্পদ গ্যাসের অনুমোদনহীন বিক্রি আইন লঙ্ঘন এবং জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।
- 📌 টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেছেন, খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তৌহিদ রেজা গত ১২ অক্টোবর মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালান। অভিযানে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রির অভিযোগে স্টেশনটির মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে জরিমানার পরদিনই ১৩ অক্টোবর থেকেই স্টেশনটি আবার কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। দিনের বেলাতেও ফিলিং স্টেশন থেকে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস ভরতে দেখা যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে সারি সারি সিলিন্ডার রাখা হয়েছে। বিভিন্ন কারখানায় এই সিলিন্ডারগুলো ব্যবহার করা হয়। তবে একটি কাভার্ড ভ্যানে বিপুলসংখ্যক গ্যাস সিলিন্ডার রাখা হলে দুর্ঘটনার সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারিগরি তদন্তের মাধ্যমে কতটি সিলিন্ডার রাখা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কতটা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
সচেতন মহলের ভাষ্য, রাষ্ট্রীয় সম্পদ গ্যাসের অনুমোদনহীন বিক্রি আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি জননিরাপত্তার জন্যও মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। তারা দাবি করেছেন, অবৈধ গ্যাস বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি স্টেশনটির লাইসেন্সের বিষয়টিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।
মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিক ইব্রাহিম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেছেন, ‘খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
"একবার জরিমানা করার পরও একই ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকলে শুধু জরিমানা করে সমস্যার সমাধান হবে না। অবৈধ গ্যাস বিক্রি বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মির্জাপুর বাইপাস, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৌহিদ রেজা (বিচারক), ইব্রাহিম মিয়া (স্টেশন মালিক), আবু সাঈদ (জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ টাকা (জরিমানা), ১২ অক্টোবর, ১৩ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!