📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইল: সম্পত্তি বিরোধে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া বৃদ্ধ দম্পতি ফিরে আসেন, প্রবাসী ছেলে মাসে এক লাখ টাকা পাঠাবেন

টাঙ্গাইল: সম্পত্তি বিরোধে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া বৃদ্ধ দম্পতি ফিরে আসেন, প্রবাসী ছেলে মাসে এক লাখ টাকা পাঠাবেন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইল জেলার সখীপুরে সম্পত্তি বিরোধে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া বৃদ্ধ দম্পতি আবদুর রহমান ও আনোয়ারা বেগম মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের মধ্যস্থতায় নিজ বাড়িতে ফিরেছেন। প্রবাসী ছেলে শাহ জালাল মাসে এক লাখ টাকা পাঠাবেন তাদের ভরণপোষণের জন্য

টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া বৃদ্ধ দম্পতি আবদুর রহমান ও আনোয়ারা বেগম গতকাল মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের মধ্যস্থতায় নিজ বাড়িতে ফিরেছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের প্রচেষ্টায় দম্পতির বাড়িতে ফিরে আসার সময় তাদের হাতে প্রবাসী ছেলে শাহ জালালের পাঠানো এক লাখ টাকা তুলে দেওয়া হয়। মন্ত্রী জানিয়েছেন, শাহ জালাল প্রতি মাসে এক লাখ টাকা করে পাঠাবেন দম্পতির ভরণপোষণের জন্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে বাড়িতে ফিরেছেন বৃদ্ধ দম্পতি আবদুর রহমান ও আনোয়ারা বেগম।
  • 📌 প্রবাসী ছেলে শাহ জালাল মাসে এক লাখ টাকা পাঠাবেন তাদের ভরণপোষণের জন্য।
  • 📌 মন্ত্রী আহমেদ আযম খান মুঠোফোনে শাহ জালালের সঙ্গে কথা বলেন এবং দম্পতিকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।
  • 📌 দুই সপ্তাহ আগে দম্পতি সম্পত্তি বিরোধে বাড়ি ছেড়ে মির্জাপুরের গ্রামে চলে যান।
  • 📌 সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, মন্ত্রীর পরামর্শে দম্পতিকে সম্মানসূচকভাবে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
  • 📌 আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, তিনি স্বেচ্ছায় সম্পত্তি দলিল করেননি, বাড়ি ছেড়ে যেতে জোর করা হয়েছিল।
  • 📌 শাহ জালালের দাবি, বাবা-মায়ের সম্মতিতে ইসলামি ফারায়েজ অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টন করা হয়েছে।
  • 📌 দম্পতির বাড়িতে ২৪ শতাংশ জমি ও তিনতলা ভবন রয়েছে, আর গ্রামে ২০০ শতাংশ জমির মধ্যে ১০৭ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।
  • 📌 শাহ জালালের অভিযোগ, বড় মেয়ের স্বামী কৌশলে জমি লিখে নেন এবং বাবার অবসর অর্থ আত্মসাত করেন।
  • 📌 মারধরের অভিযোগ দিয়েছেন আনোয়ারা বেগম, কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করেননি।

📰 বিস্তারিত

টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া বৃদ্ধ দম্পতি আবদুর রহমান ও আনোয়ারা বেগম গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে ফিরেছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের মধ্যস্থতায় এই ঘটনা ঘটেছে। সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে অবস্থিত দম্পতির বাড়িতে গিয়ে মন্ত্রী দম্পতির সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় মুঠোফোনে শাহ জালালের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি।

দম্পতির বাড়িতে ফিরে আসার সময় তাদের হাতে শাহ জালালের পাঠানো এক লাখ টাকা তুলে দেওয়া হয়। মন্ত্রী জানিয়েছেন, শাহ জালাল প্রতি মাসে এক লাখ টাকা করে পাঠাবেন দম্পতির ভরণপোষণের জন্য। দম্পতির বাড়িতে ফিরে আসার পর মন্ত্রী বলেন, বাবা-মায়ের ভরণপোষণের জন্য ছেলে প্রতি মাসে এক লাখ টাকা করে পাঠাবেন।

দুই সপ্তাহ আগে আবদুর রহমান ও আনোয়ারা বেগম দম্পতি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে বাড়ি ছেড়ে মির্জাপুরের গ্রামে চলে যান। সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম, সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) মামুনুর রশিদ, সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, তিনি স্বেচ্ছায় সম্পত্তি দলিল করেননি। তাঁকে ও তাঁর স্বামীকে বাড়ি ছেড়ে যেতে জোর করা হয়েছিল। দলিল বাতিল চেয়ে তিনি আদালতে মামলা করেছেন। এছাড়াও মারধরের অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। শাহ জালালের দাবি, বাবা-মায়ের সম্মতিতে ইসলামি ফারায়েজ অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টন করা হয়েছে। তবে আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ অস্বীকার করে শাহ জালাল বলেন, দলিল নিবন্ধনের সময় তাঁর মা কোনো আপত্তি জানাননি।

"দম্পতিকে মির্জাপুরের গ্রামের বাড়ি থেকে সখীপুরের নিজেদের বাড়িতে সম্মানের সঙ্গে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।"

আবদুর রহমান মিয়া সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক চিকিৎসা কর্মকর্তা। প্রায় চার দশক আগে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ২৪ শতাংশ জমি কিনে সেখানে তিনতলা ভবন নির্মাণ করেন। এছাড়াও মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের কড়িপাড়ার বদরচালা এলাকায় তাঁদের গ্রামের বাড়িতেও জমি রয়েছে। দম্পতির দুই মেয়ে ও এক ছেলে। শাহ জালালের অভিযোগ, তাঁর বড় বোনের স্বামী কৌশলে মির্জাপুরের প্রায় ২০০ শতাংশ জমির মধ্যে ১০৭ শতাংশ লিখে নেন। এছাড়াও তাঁর বাবার অবসরের প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাত করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সখীপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল জেলা, সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুর রহমান, আনোয়ারা বেগম, শাহ জালাল, মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, আশরাফুল আলম, মামুনুর রশিদ, মুরাদ হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ শতাংশ জমি, ২০০ শতাংশ জমি, ১০৭ শতাংশ জমি, ৩০ লাখ টাকা, এক লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖