📌 সিলেটের জিন্দাবাজারে জালিয়াতির অভিযোগে 'স্টেপ' নামের জুতার দোকানকে সিলগালা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযানের সময় পায়ে পায়ে দোকানের কাগজপত্র পেয়েছে। ৩ দিনের মধ্যে যথাযত কাগজপত্র জমা না দিলে দোকানটি খোলা হবে না
সিলেটের জিন্দাবাজারে জালিয়াতির অভিযোগে একটি জুতার দোকানকে সিলগালা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আজ রোববার দুপুরে অভিযান চালিয়ে 'স্টেপ' নামের দোকানটি বন্ধ করে দিয়েছে। অভিযানের সময় দোকানের লাইসেন্স, সাইনবোর্ড এবং ক্যাশ মেমো সহ অন্যান্য কাগজপত্র পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেটের জিন্দাবাজারে 'স্টেপ' নামের জুতার দোকানকে জালিয়াতির অভিযোগে সিলগালা করা হয়েছে
- 📌 অভিযানের সময় পায়ে পায়ে দোকানের কাগজপত্র পাওয়া যায়
- 📌 দোকানের কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক জবাব না দিলে সিলগালা করা হয়
- 📌 ৩ দিনের মধ্যে যথাযত কাগজপত্র জমা না দিলে দোকানটি খোলা হবে না
- 📌 সিলেট মহানগর পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করা হয়
📰 বিস্তারিত
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় 'স্টেপ' দোকানের লাইসেন্স লোগো, ক্যাশ মেমো এবং অন্যান্য কাগজপত্র পাওয়া যায়। এসব কাগজপত্রের অধিকাংশ 'পায়ে পায়ে' নামের অন্য একটি জুতার দোকানের ছিল। জালিয়াতির অভিযোগে দোকানের কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক কোনো জবাব না দিলে তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি সিলগালা করা হয়।
সিলগালার বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবানন্দ সিনহা জানান, 'স্টেপ'-কে ৩ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে যথাযতভাবে কাগজপত্র বা অন্যান্য ডকুমেন্ট জমা দেওয়া হলে দোকানটি খুলে দেওয়া হবে। অভিযানে সিলেট মহানগর পুলিশের একটি দলও সহযোগিতা করেছিল।
এই অভিযানের পাশাপাশি সিরাজগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগে বিএনপির ১০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় আরও ৫ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি করেন আহত জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর শেখের স্ত্রী শোহর বানু।
"স্টেপ'-কে ৩ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে যথাযতভাবে কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেটের জিন্দাবাজার ও সিরাজগঞ্জ সদর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেবানন্দ সিনহা (সহকারী পরিচালক), আব্দুস সবুর শেখের স্ত্রী শোহর বানু, 'স্টেপ' দোকানের কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিন, ১০ নেতা-কর্মী, ৫ থেকে ১০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!