📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুন্দরবনের দস্যুদের চাঁদাবাজি: ২০ হাজার টাকা দিয়ে পাবেন ১০ টাকার নোটের কার্ড, বনজীবীরা আতঙ্কিত

সুন্দরবনের দস্যুদের চাঁদাবাজি: ২০ হাজার টাকা দিয়ে পাবেন ১০ টাকার নোটের কার্ড, বনজীবীরা আতঙ্কিত

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুন্দরবনে দস্যুদের চাঁদাবাজি বেড়েছে। ২০ হাজার টাকা দিয়ে পাবেন ১০ টাকার নোটের কার্ড, যা বনে প্রবেশের অনুমতি দেয়। বনজীবীরা আতঙ্কিত, অনেকের জীবিকা বিপন্ন। সাতক্ষীরা ও খুলনা এলাকায় দস্যুদের হুমকি ও অপহরণের ঘটনা বেড়েছে

সুন্দরবনের বনজীবীরা দস্যুদের চাঁদাবাজির শিকার হয়ে আতঙ্কিত। দস্যু বাহিনী বনে প্রবেশের জন্য ব্যাংক নোটের নম্বরভিত্তিক কার্ড দিচ্ছে, যা পেতে হাজার হাজার টাকা খরচ করতে হয়। সাতক্ষীরা ও খুলনা এলাকার বনজীবীরা দাবি, দস্যুদের হুমকি ও অপহরণের ঘটনা বেড়েছে। তারা বলছেন, বনে যেতে গেলে সরকারি অনুমতির বাইরে দস্যুদের কাছ থেকে কার্ড নিতে হয়, যা তাদের জীবিকা ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুন্দরবনে দস্যুদের চাঁদাবাজি: ২০ হাজার টাকা দিয়ে পাবেন ১০ টাকার নোটের কার্ড, যা বনে প্রবেশের অনুমতি দেয়।
  • 📌 সাতক্ষীরা ও খুলনা এলাকায় দস্যু বাহিনী বনজীবীদেরকে ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে বাধ্য করছে।
  • 📌 বনজীবীরা দাবি, দস্যুদের হুমকি ও অপহরণের ঘটনা বেড়েছে। অনেকের জীবিকা বিপন্ন, কারণ তারা বনে যেতে পারছেন না।
  • 📌 গাবুরা ইউনিয়নের ৩৫ হাজার বনজীবীর মধ্যে অধিকাংশই সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল। তারা মাছ, কাঁকড়া ও মধু আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
  • 📌 দস্যুদের কার্ড না দেখাতে পারলে বনজীবীদের জঙ্গলে আটকে রাখা হয় এবং মুক্তিপণ আদায় করা হয়।

📰 বিস্তারিত

সুন্দরবনে দস্যুদের তৎপরতা বেড়েছে। সুন্দরবনে প্রায় ৩০ বছর ধরে মাছ ধরার সঙ্গে যুক্ত কামরুল ইসলাম বলেছেন, বনে প্রবেশের জন্য দস্যুদের কাছ থেকে কার্ড নিতে হয়। তিনি বলেন, "যারা দশ-পনের দিনের জন্য সুন্দরবনে যায়, তাদের এককালীন তিন মাসের জন্য পাঁচ টাকার নোটের কার্ড নিতে হইসে ৭০ হাজার টাকায়। অন্য এক বাহিনী নিচ্ছে এক লাখ দুই হাজার টাকা। তারা দিচ্ছে দশ টাকার নোটের কার্ড।" দস্যু বাহিনী সুন্দরবনের এলাকা ভাগ করে নিয়েছে।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় বনজীবীরা বলছেন, দস্যুদের অত্যাচার, অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও জীবিকার অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা দাবি, দস্যুদের তৎপরতা বৃদ্ধির কারণে বনে না যেতে পেরে অনেকেই আর্থিক অভাব-অনটনের মধ্যে পড়েছেন।

সাতক্ষীরা অঞ্চলের বনজীবীরা প্রশ্ন তুলেছেন যে, সুন্দরবনের নিয়ন্ত্রণ কি বনদস্যুদের হাতে? তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বন বিভাগ এবং নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড কেউই তাদের দস্যুদের হাত থেকে নিরাপদ রাখতে পারছে না।

গাবুরা ইউনিয়নের জেলেরা বলছেন, বনদস্যুদের কার্ড পেতে হাজার হাজার টাকা খরচ করতে হয়। তারা বলেন, এক নৌকার জন্য একটি ১০ টাকার নোট পেতে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। বাবলুর রহমান বলেন, গত দুই বছরে তিনবার বনদস্যুদের হাতে জিম্মি হয়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, "একবার দিছি ৬৫ হাজার, একবার দিছি এক লাখ ৯৬ হাজার, আর একবার দিছি ৮০ হাজার। আরো ৮০ হাজার ফোন করে চাচ্ছে। তাদের ভয়ে জঙ্গলে যেতে পারছি না।"

"গ্রামে খুব অভাব যাচ্ছে মানুষির। পনেরদিন একম মাস কেউ জঙ্গলে যাতি পারছে না। আমার স্বামীরে চার দিন আটকে রাখছিল বনের মধ্যে। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়ায় আনতি হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুন্দরবন (সাতক্ষীরা, শ্যামনগর উপজেলা, গাবুরা ইউনিয়ন, খুলনা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুল ইসলাম, আব্দুল করিম, পারুল আক্তার, বাবলুর রহমান, রেজাউল করিম, শাহাদাত হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার টাকা (১০ টাকার নোটের কার্ডের জন্য), ৭০ হাজার টাকা, ১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা, ৩৫ হাজার বনজীবী, ৩০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖