📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৬০ বছরের পুরনো সেতুহীন খালে পড়েছে দু’জেলার ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের কষ্ট

৬০ বছরের পুরনো সেতুহীন খালে পড়েছে দু’জেলার ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের কষ্ট

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫০ হাজার মানুষ ছয় দশক ধরে সেতুহীন সুজুনি খাল পারাপারের কারণে যাতায়াতের কষ্ট পাচ্ছেন। খালের পশ্চিম তীরের বাসিন্দারা বিশেষ করে বিকেলে নৌকা না পেলে হাসপাতালে যাতায়াতের সমস্যায় পড়েন।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫০ হাজার মানুষ ছয় দশক ধরে সুজুনি খাল পারাপারের কারণে যাতায়াতের কষ্ট পাচ্ছেন। খালের অবস্থান কাজিপুর উপজেলার মনসুরনগর ইউনিয়নের পশ্চিম কুমারিয়াবাড়ী গ্রামে। এই খালে সেতু না থাকায় স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও সরকারি দপ্তরে যাতায়াতের জন্য মানুষ নিয়মিত নৌকা ব্যবহার করতে বাধ্য হন। বিশেষ করে খালের পশ্চিম তীরের বাসিন্দারা জরুরি সেবা পেতে নৌকায় নির্ভরশীল। বিকেলে নৌকা পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে যাবার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে কারো কোনো বিকল্প থাকে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের সমস্যা**: কাজিপুর ও সরিষাবাড়ীর চারটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ছয় দশক ধরে সেতুহীন সুজুনি খাল পারাপারের কারণে কষ্ট পাচ্ছেন
  • 📌 **বিকেলে নৌকা বন্ধ**: নৌকা পরিষেবা বিকেলে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে যাতায়াতের সমস্যা বাড়ে
  • 📌 **শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ**: বন্যার সময় শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতে নৌকা সংকটের কারণে সমস্যা হয়
  • 📌 **কৃষকদের ফসল পরিবহন**: সেতু না থাকায় ফসল তোলার সময় কৃষকদের পণ্য পরিবহনে কঠিন সময় কাটাতে হয়
  • 📌 **সেতু নির্মাণের প্রস্তাব**: কাজিপুর এলজিইডি ইতোমধ্যে সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠিয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে

📰 বিস্তারিত

সুজুনি খালের পশ্চিম তীরে অবস্থিত কুমারিয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়া বলেন, বর্ষাকালে খালে খেয়ানৌকা চলাচল করে এবং পারাপারে চার থেকে পাঁচ মিনিট সময় লাগে। তবে বর্ষাকালের বাইরে খাল শুকিয়ে গেলেও উপযুক্ত রাস্তা না থাকায় চলাচলের সমস্যা অব্যাহত থাকে। তিনি জানান, “খালে পানি থাকলেও পারাপারে সমস্যা, না থাকলেও যাতায়াতে সমস্যা। বর্ষায় এখানে সেতু দরকার। আর সেতুর উভয় পাশে রাস্তার সংস্কারও জরুরি।”

চরগিরিশ এম মনসুর আলী জাতীয় উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা বেগম বলেন, বন্যার সময় নিজের বিদ্যালয় ও এএফএম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পর্যাপ্ত নৌকা না থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে সমস্যা হয়। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিয়া খাতুন জানান, “নৌকা ধরতে না পারলে প্রায়ই আমাদের স্কুলে পৌঁছাতে দেরি হয়। মাঝে মাঝে নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাসে যেতে পারিনা। বর্ষাকালে আমাদের খুব কষ্ট হয়।”

মনসুরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হাবিবুর রহমান হবি বলেন, খালের দুই তীরের কৃষকদেরও জমি চাষাবাদ এবং ফসল পরিবহনে নিয়মিত এই খাল পার হতে হয়। সেতু না থাকায় বিশেষ করে ফসল তোলার মৌসুমে কৃষিপণ্য পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। মনসুরনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রেজাউল করিম দুলাল বলেন, “এখানে একটি সেতু নির্মিত হলে কৃষকেরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সহজে ও দ্রুত তাঁদের উৎপাদিত ফসল পাঠাতে পারবেন।”

সরিষাবাড়ী উপজেলার এলজিইডির প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া তমাল জানান, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সরিষাবাড়ী ও কাজিপুর উভয় এলাকার মানুষের জন্যই এই সেতুটি প্রয়োজন। তবে এলাকাটি কাজিপুরের মধ্যে পড়ায় সেখানে সেতু নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। কাজিপুর উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মুনসুর আহমেদ বলেন, খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা তৈরি করে ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

"বর্ষাকালে আমাদের খুব কষ্ট হয়। নৌকা ধরতে না পারলে স্কুলে পৌঁছাতে দেরি হয়"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা (মনসুরনগর ইউনিয়ন, পশ্চিম কুমারিয়াবাড়ী গ্রাম) ও জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা (পোগলদিঘা ও সাতপোয়া ইউনিয়ন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানিক মিয়া, নাসিমা বেগম, আলিয়া খাতুন, হাবিবুর রহমান হবি, রেজাউল করিম দুলাল, গোলাম কিবরিয়া তমাল, মো. মুনসুর আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার (বাসিন্দা), ৯ (ওয়ার্ড নম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖