📌 পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ৫০ বছর বয়সী মুন্নি খাতুন তার অসুস্থ মায়ের আশ্রয় চাওয়ার আকুতিতে ছেলে সাগর হোসেন (৩০) বলেছেন, ‘মাকে সঙ্গে রাখলে আমি আত্মহত্যা করব’। ইউএনও সেলিম আহমেদের কার্যালয়ে শুনানিতে এই কথা বলেন সাগর। মায়ের ভরণপোষণ ও দেখাশোনার বিষয়ে সমাধান না হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন ইউএনও
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় অসুস্থ মায়ের আশ্রয় চাওয়ার আকুতিতে তার ছেলে সাগর হোসেন (৩০) আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন। ৫০ বছর বয়সী মুন্নি খাতুন তার একমাত্র অবলম্বন ছেলের কাছে টাকা-পয়সা চাইছেন না, বরং তার সঙ্গে থাকার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। তবে সাগর মায়ের সঙ্গে থাকার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, ‘মাকে আমার সঙ্গে রাখলে আমি সুইসাইড করব’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ৫০ বছর বয়সী মুন্নি খাতুন তার অসুস্থ মায়ের আশ্রয় চাওয়ার আকুতিতে ছেলে সাগর হোসেন (৩০) বলেছেন, ‘মাকে সঙ্গে রাখলে আমি আত্মহত্যা করব’।
- 📌 ইউএনও সেলিম আহমেদের কার্যালয়ে শুনানিতে সাগর হোসেন মায়ের সঙ্গে থাকার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং মানবিক সমাধান না হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইউএনও।
- 📌 মুন্নি খাতুনের স্বামী সিরাজুল ইসলাম অনেক আগেই মারা গেছেন। তার দুই সন্তানের মধ্যে ছেলে সাগর ও এক মেয়ে রয়েছেন। বিয়ের পর থেকেই মায়ের সঙ্গে সাগরের পারিবারিক বিরোধ দেখা দেয়।
- 📌 সাগর হোসেন উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ হিসেবে কর্মরত। তিনি মায়ের ভরণপোষণ বন্ধ করে দিয়েছেন এবং নিজের সঙ্গে রাখতে অস্বীকার করেছেন।
- 📌 ইউএনও সেলিম আহমেদ সাগরকে কয়েক দিনের সময় দিয়েছেন মায়ের ভরণপোষণ ও দেখাশোনার বিষয়ে সমাধান করার জন্য।
📰 বিস্তারিত
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার সোনাতলা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে সাগর হোসেন (৩০) তার অসুস্থ মায়ের সঙ্গে থাকার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ইউএনও সেলিম আহমেদের কার্যালয়ে শুনানিতে সাগর বলেন, ‘আমি মাকে সঙ্গে রাখতে পারব না। স্যার, আপনি বলে দেন, আমি মাকে মাসে কত টাকা দেব। মাকে আমার সঙ্গে দিলে আমি সুইসাইড করব’।
মুন্নি খাতুন (৫০) তার অসুস্থতা ও অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি ছেলের কাছে টাকা-পয়সা চাই না। নুন-পান্তা খেয়েও যদি ছেলের সঙ্গে থাকতে পারি, তাহলে বাকি জীবনটা পার করে দিতে পারব’। তিনি আরও বলেন, ‘আমি তো মায়ের অধিকার নিয়ে ছেলের ঘরে থাকতে চাই। শেষ বয়সে সন্তানের কাছে একটু আশ্রয় চাইছি। এর বেশি আমার কোনো চাওয়া নেই’।
সাগর হোসেনের বিয়ের পর থেকেই তার মায়ের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ দেখা দেয়। নিজের সঙ্গে মায়ের থাকার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি তিনি মায়ের নিয়মিত ভরণপোষণও বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করার পর বাধ্য হয়ে মুন্নি খাতুন ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
"আমি ছেলের কাছে টাকা-পয়সা চাই না। নুন-পান্তা খেয়েও ছেলের সঙ্গে থেকে বাকি জীবনটা পার করতে চাই।" — মুন্নি খাতুন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা, সোনাতলা গ্রাম, নাগডেমরা ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুন্নি খাতুন (৫০), সাগর হোসেন (৩০), ইউএনও সেলিম আহমেদ, সিরাজুল ইসলাম (মৃত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (মুন্নি খাতুন), ৩০ বছর (সাগর হোসেন), ৮ টা (রাত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!