📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পারিবারিক বিরোধে আগুনে দগ্ধ সৌদি প্রবাসী ইমন মারা যান, পাঁচজনের মধ্যে ৯০% দগ্ধ শরীরে চিকিৎসাধীন

পারিবারিক বিরোধে আগুনে দগ্ধ সৌদি প্রবাসী ইমন মারা যান, পাঁচজনের মধ্যে ৯০% দগ্ধ শরীরে চিকিৎসাধীন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার সূত্রাপুরে পারিবারিক বিরোধে আগুনে দগ্ধ সৌদি প্রবাসী ইমন (২৫) মারা যান। পাঁচজনের মধ্যে তার শরীরের ৯০% দগ্ধ হয়েছিল। পুলিশ কুমিল্লার একটি মামলায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে

সৌদি আরবপ্রবাসী ইমন (২৫) পারিবারিক বিরোধে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের শরীরে আগুন দিলে দগ্ধ হয়ে মারা যান। ঢাকার সূত্রাপুরে গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঘটনাটি ঘটে। আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমনের মৃত্যু হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সৌদি আরবপ্রবাসী ইমন (২৫) পারিবারিক বিরোধে নিজের ও পাঁচজনের শরীরে আগুন দিলে মারা যান
  • 📌 ইমনের শরীরের ৯০% দগ্ধ হয়েছিল, অন্য পাঁচজনের মধ্যে সর্বাধিক ৬০% দগ্ধ তানিয়া আক্তার (২০)
  • 📌 ইমন গত শুক্রবার দেশে ফিরে এসেছিলেন এবং ‘আমিও মরব, তোদেরও মারব’ বলে আগুন ধরিয়ে দেন
  • 📌 ঘটনাস্থল: ঢাকার সূত্রাপুরের শ্যামবাজার চামাকাটুলি এলাকা
  • 📌 পুলিশ কুমিল্লার একটি মামলায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে

📰 বিস্তারিত

গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সূত্রাপুরের শ্যামবাজারে ইমনের বোন সুলতানা বাসার সামনে ময়লা পানি জমিয়ে রাখেন। তার বোন তানিয়া আক্তার (২০) পানি পরিষ্কার করতে বললে সুলতানার সাথে ঝগড়া হয়। ইমন বিষয়টি জানার পর তিনি নিজের গায়ে পেট্রল ঢালেন এবং পরিবারের সদস্যদের শরীরে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে ইমনসহ পাঁচজনের শরীরে আগুন লেগে যায়।

ইমনের শরীরের ৯০ শতাংশ, সিদ্দিক ব্যাপারীর (৬০) ৩৫ শতাংশ, রাজিবের (৩৮) ১৫ শতাংশ, আরিফুর রহমান ধলুর (৩৫) ৮ শতাংশ ও তানিয়া আক্তারের (২০) ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সোনিয়া আক্তার, আরিফুর রহমান ধলুর স্ত্রী, জানান যে ইমন গত শুক্রবার দেশে ফিরেছিলেন। ইমনের পরিবারের সদস্যরা সবাই একই বাড়িতে বসবাস করতেন। ইমন সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে এসেছিলেন এবং পারিবারিক বিরোধে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইমনের পরিবারের সদস্যরা হলেন: সিদ্দিক ব্যাপারী (৬০), ইমন (২৫), রাজিব (৩৮), আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) এবং তানিয়া আক্তার (২০)। ইমনের বোন সুলতানা বাসার সাথে তানিয়ার ঝগড়া ছিল ঘটনার মূল কারণ। ইমন গত শুক্রবার দেশে ফিরে এসেছিলেন এবং পারিবারিক বিরোধে এই ঘটনা ঘটে।

"আমিও মরব, তোদেরও মারব" বলে ইমন নিজের ও পরিবারের সদস্যদের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার সূত্রাপুরের শ্যামবাজার চামাকাটুলি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমন (২৫), সোনিয়া আক্তার, ডা. সুলতান মাহমুদ, সিদ্দিক ব্যাপারী (৬০), রাজিব (৩৮), আরিফুর রহমান ধলু (৩৫), তানিয়া আক্তার (২০)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০% (ইমনের দগ্ধ শরীর), ৬০% (তানিয়া আক্তারের দগ্ধ শরীর), ২৫ (ইমনের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖