📌 সিরাজগঞ্জ জেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে, যা জেলা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন শতাধিক মানুষ কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন নিতে হাসপাতালে আসছে, যেখানে শিশু থেকে বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, কুকুরের আচরণ উগ্র হয়ে উঠেছে এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় উপদ্রব বাড়ছে।
সিরাজগঞ্জ জেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে, যা জেলা জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। নিয়ন্ত্রণ ও টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ থাকায় কুকুরের উপদ্রব ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই কুকুরের কামড়ে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষত রাতের সময়ে। রাত বাড়ার সাথে সাথে কুকুরের আচরণও উগ্র হয়ে পড়ে, তারা পথচারীদের গতিবিধি বাধাগ্রস্ত করে এবং চলন্ত গাড়িকেও তাড়া করে। ফলে ভয়ে যাত্রীরা বিকল্প পথে ঘরে ফিরতে বাধ্য হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে, জেলা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে
- 📌 প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ জন জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন নিতে কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসছে
- 📌 নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের ৭ জন (৪ শিশু, ১ বৃদ্ধসহ) এবং পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের ৮ জন কুকুরের কামড়ে আহত
- 📌 সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শত রোগী কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন নিতে আসে
- 📌 ৭০ বছর বয়সী রফিকুলের মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুকুর কামড়িয়েছে, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে
- 📌 ৮ বছর বয়সী ওমর ফারুক এবং ১৩ বছর বয়সী মারুফ স্কুলে যাওয়ার পথে কুকুরের আক্রমণের শিকার হন
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জ জেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছে। নিয়ন্ত্রণ ও টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ থাকায় জেলার প্রতিটি উপজেলায় কুকুরের উপদ্রব ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই কুকুরের কামড়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। রাত বাড়ার সাথে সাথে কুকুরের আচরণও উগ্র হয়ে পড়ে, তারা পথচারীদের গতিরোধ করে এবং চলন্ত গাড়িকেও তাড়া করে। ফলে ভয়ে যাত্রীরা বিকল্প পথে ঘরে ফিরতে বাধ্য হন।
সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রতি দিন কয়েকশত রোগী আসেন কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন নিতে। জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্তরা প্রতিদিনই প্রতিশেধক ভ্যাকসিনের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভিড় জমাচ্ছেন। পাগলা কুকুরের সংখ্যা এতটাই বেড়েছে যে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলিতে শতাধিক মানুষ আসছে প্রতিশেধক ভ্যাকসিনের জন্য।
কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রাসেল জানান, প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ জন জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন নিতে হাসপাতালে আসেন। এদের মধ্যে অনেকেই কুকুরের আক্রমণের শিকার হন। তিনি আরো বলেন, ভ্যাকসিনসহ যাবতীয় স্বাস্থ্য সেবা আমরা প্রদান করে থাকি। সিরাজগঞ্জে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শহিদুল্লাহ দেওয়ান জানান, জেলা জুড়েই কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩ থেকে ৪শত জন এই ভ্যাকসিনের জন্য হাসপাতালে আসছে। তিনি আরো জানান, আমাদের পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুদ আছে, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
"প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ জন জলাতঙ্ক ভ্যাকসিন নিতে হাসপাতালে আসেন, এদের মধ্যে অনেকেই কুকুরের আক্রমণের শিকার হন, ভ্যাকসিনসহ যাবতীয় স্বাস্থ্য সেবা আমরা প্রদান করে থাকি"
"জেলা জুড়েই কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৩ থেকে ৪শত জন এই ভ্যাকসিনের জন্য হাসপাতালে আসছে। আমাদের পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুদ আছে, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা (সদর, কাজিপুর উপজেলা, নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়ন, বিলসুন্দর গ্রাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডাঃ মোঃ রাসেল (কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা), ডাঃ শহিদুল্লাহ দেওয়ান (সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক), রফিকুলের (৭০ বছর), ওমর ফারুক (৮ বছর), মারুফ (১৩ বছর), সুরাইয়া (৮ বছর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন (কামড়ের ঘটনা), ৭ জন (নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নে আক্রান্ত), ৮ জন (পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নে আক্রান্ত), ৩-৪শত (প্রতিদিন ভ্যাকসিন নিতে আসা), ৮-১০ জন (প্রতিদিন কাজিপুরে ভ্যাকসিন নিতে আসা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!