📌 সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীতে মা-ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জেলেরা অবৈধভাবে মাছ ধরা অব্যাহত রেখেছে। অভিযান ও জরিমানা সত্ত্বেও অবৈধ জাল ব্যবহার করে হাজার হাজার জেলে প্রতিযোগিতামূলকভাবে মাছ আহরণ করছে
সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদীতে মা-ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জেলেরা অবৈধভাবে মাছ ধরা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। নিষিদ্ধ ক্যারেন্ট জাল দিয়ে দিন-রাত মাছ আহরণের এই অবৈধ কার্যকলাপে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযান সত্ত্বেও জেলেরা কোনো বাধা মেনে নিতে চায় না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলার মধ্যে কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুরে যমুনা নদীতে মা-ইলিশ ধরা অব্যাহত
- 📌 ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা-ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জেলেরা অবৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরা
- 📌 ৬০টি অভিযান ও ৯টি মোবাইল কোর্টে ১৪,৩০,২০০ মিটার জাল আটক, ২১টি মামলা দায়ের ও ১৬ জন জেলের দণ্ড
- 📌 জেলেদের মতে, অভাবী পরিবারের জীবিকা নির্বাহের জন্য মাছ ধরা অবশ্য কর্তব্য
- 📌 মৎস্য কর্মকর্তা জানান, অবৈধ জাল ব্যবহার ও মাছ ধরা আইনত দণ্ডনীয়, নদীর জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদীতে মা-ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জেলেরা অবৈধভাবে মাছ ধরা অব্যাহত রেখেছে। জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলার মধ্যে কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলায় যমুনা নদীতে মাছ ধরা অবৈধভাবে চলছে। এসব উপজেলার অধিবাসীরা কৃষি ছাড়াও মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। বর্ষা মৌসুমে যমুনার চর এলাকার অধিকাংশ অভাবী পরিবারের প্রধান পেশা মাছ শিকার।
৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা-ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জেলেরা অবৈধ ক্যারেন্ট জাল দিয়ে দিন-রাত মাছ আহরণ করছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত ৬০টি অভিযান ও ৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১৪,৩০,২০০ মিটার জাল আটক ও ধ্বংস করা হয়েছে, যার মুল্য প্রায় ২,০৮,৪৩,০০০ টাকা। এ পর্যন্ত ২১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, ৩৩,৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ১৬ জন জেলের দণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের বেলুটিয়ার চরের আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “আমরা অভাবী মানুষ। বছরের এই সময়টার জন্যই অপেক্ষা করি। এখন মাছ যদি না ধরি, তা চলে যাবে। তাই পেটের তাগিদেই এই সময়টা কাজে লাগাই। যতই অভিযান চলুক উপায় নেই বলেও জানান তারা।”
"মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এসময় সারা দেশে মা ইলিশ ধরা, আহরণ, মজুদ, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ। অবৈধ চায়না ও কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এ গুলো নদীর জীববৈচিত্রের জন্য ক্ষতিকর। মা ইলিশ রক্ষা ও দেশীয় মাছের প্রজজন নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট ও নিয়মিত অভিযান অব্যহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা, যমুনা নদী (কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোঃ মাহবুবুর রহমান (জেলা মৎস্য কর্মকর্তা), আব্দুর রাজ্জাক (জেলে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি উপজেলা, ৮ অক্টোবর-২৯ অক্টোবর, ৬০টি অভিযান, ১৪,৩০,২০০ মিটার জাল, ২,০৮,৪৩,০০০ টাকা, ২১টি মামলা, ৩৩,৭০০ টাকা জরিমানা, ১৬ জন জেলের দণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!