📌 সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার শফিকুল ইসলাম ঘোড়া দিয়ে জমি চাষ ও মই দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। প্রতি বিঘা জমিতে ২৫০ টাকা করে মই দেওয়ার মাধ্যমে তিনি দিনে প্রায় ১২৫০ টাকা আয় করেন।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দরিদ্র কৃষক শফিকুল ইসলাম আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির যুগেও ঘোড়া দিয়ে জমি চাষ ও মই দেওয়ার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই অসামান্য প্রচেষ্টায় তিনি প্রতিদিনের খরচ মেটাতে সক্ষম হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জের তালম ইউনিয়নের বড়ইচড়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম ঘোড়া দিয়ে জমি চাষ ও মই দিচ্ছেন
- 📌 প্রতি বিঘা জমিতে মই দেওয়ার জন্য তিনি ২৫০ টাকা নেন এবং দিনে প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে কাজ করে
- 📌 আমন ও বোরো মৌসুমে ঘোড়া দিয়ে মোট ৬০ হাজার টাকা আয় করেছেন শফিকুল ইসলাম
- 📌 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন ঘোড়া দিয়ে জমি চাষের ঘটনা এখন বিরল বলে উল্লেখ করেছেন
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের গোন্তা গ্রামের পাশের জমিতে শফিকুল ইসলাম ঘোড়া দিয়ে মই দেওয়ার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘জীবিকার তাগিদে প্রায় পাঁচ বছর আগে ঘোড়া কিনেছিলাম। এরপর থেকে ঘোড়াটিকে দিয়ে বিভিন্ন কৃষকের জমি চাষ ও মই দেওয়ার কাজ করছি।’
শফিকুল ইসলামের মতে, প্রতি বিঘা জমিতে ঘোড়া দিয়ে মই দিতে তিনি ২৫০ টাকা করে নেন। দিনে প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে মই দেওয়া যায় বলে তিনি দিনে প্রায় এক হাজার টাকা আয় করেন। তিনি আরো জানান, আমন ও বোরো মৌসুম মিলিয়ে ঘোড়া দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার টাকা আয় হয়েছিলো।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা বলেছেন, ‘ঘোড়া দিয়ে জমি চাষের ঘটনা এখন সচরাচর দেখা যায় না। শফিকুল ইসলাম বাড়তি আয়ের জন্য ঘোড়া দিয়ে জমি চাষ ও মই দিচ্ছেন।’
"জীবিকার তাগিদে প্রায় পাঁচ বছর আগে ঘোড়া কিনেছিলাম। এর পর থেকেই ঘোড়াটিকে দিয়ে বিভিন্ন কৃষকের জমি চাষ ও মই দেওয়ার কাজ করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা, তালম ইউনিয়ন, বড়ইচড়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম (কৃষক), শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা (কৃষি কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ টাকা (প্রতি বিঘা), ৬০ হাজার টাকা (মৌসুমে আয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!