📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জের নিমগাছী মৎস্য প্রকল্পে কর্মকর্তা নিজস্ব বাসায় নিয়ে যান প্রকল্পের খুঁটি-তার, স্থানীয়রা জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখে

সিরাজগঞ্জের নিমগাছী মৎস্য প্রকল্পে কর্মকর্তা নিজস্ব বাসায় নিয়ে যান প্রকল্পের খুঁটি-তার, স্থানীয়রা জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডেইলি বাংলাদেশ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের নিমগাছী মৎস্য প্রকল্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মাসুদ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পের খুঁটি ও কাটা তার নিজস্ব বাসায় নিয়ে যাওয়ার। স্থানীয়রা মালামাল জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়েছে। ট্রাকচালক জানান, মাসুদ সরকার নিজে খুঁটি-তার গাড়িতে তুলে দিয়েছিলেন

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় নিমগাছী মৎস্য প্রকল্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মাসুদ সরকারের বিরুদ্ধে প্রকল্পের খুঁটি ও কাটা তার নিজস্ব বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে মালামাল জব্দ করে সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়েছে। শুক্রবার প্রকল্প কার্যালয় থেকে ট্রাকে করে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫টি সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের নিমগাছী মৎস্য প্রকল্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মাসুদ সরকারের বিরুদ্ধে প্রকল্পের খুঁটি ও কাটা তার নিজস্ব বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 ট্রাকচালক আব্দুর রহমান খন্দকার জানান, মাসুদ সরকার নিজে খুঁটি-তার গাড়িতে তুলে দিয়েছিলেন এবং ভাড়ার চুক্তি অনুযায়ী মালগুলো নিয়ে যাচ্ছিলেন
  • 📌 প্রকল্পের কর্মচারীদের মাধ্যমে খুঁটি ও তার ট্রাকে তোলা হয়, পরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাসুদ সরকারের বাসায় পাঠানো হয়
  • 📌 সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জুব্বার জানান, মৌখিক অভিযোগের পর খুঁটি ও তারগুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়েছে
  • 📌 প্রকল্প পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তার জানা নেই এবং তিনি মন্তব্য করতে চান না

📰 বিস্তারিত

শুক্রবার প্রকল্প কার্যালয় থেকে একটি ট্রাকে করে প্রায় ৬০ থেকে ৬৫টি সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। জানা যায়, প্রকল্পের মাস্টাররোলে কর্মরত কর্মচারীদের মাধ্যমে খুঁটি ও তারগুলো ট্রাকে তোলা হয়। পরে ট্রাকটি মাসুদ সরকারের নিজ বাসায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পাঠানো হয়। ট্রাকচালক আব্দুর রহমান খন্দকার জানান, তিনি খুঁটি ও তারের কার্যকারিতা সম্পর্কে জানেন না। তবে মাসুদ সরকার নিজে উপস্থিত হয়ে খুঁটি ও তারগুলো গাড়িতে তুলে দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, ভাড়ার চুক্তি অনুযায়ী তিনি মালগুলো নিয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু পরিবহনের কোনো কাগজপত্র পাননি।

প্রকল্পের পাম্প অপারেটর মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, অফিসের পুকুরে ওয়াল নির্মাণের জন্য খুঁটিগুলো তৈরি করা হয়েছিল। পরে সেখানে গাইড ওয়াল নির্মাণের কারণে খুঁটিগুলো অফিসেই ছিল। মাসুদ সরকার নিজের টাকায় খুঁটি ও কাটা তার তৈরি করার দাবি করেছেন, কিন্তু কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জুব্বার জানান, মৌখিক ও সরেজমিনে অভিযোগ পাওয়ার পর নিমগাছী মৎস্য প্রকল্প অফিস থেকে বের করা খুঁটি ও তারগুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল খালেক পাটোয়ারী জানান, সিনিয়র সহকারী পরিচালক মাসুদ সরকার জানান, এটা তার ব্যক্তিগত টাকায় তৈরি। অন্যদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ এটা পাচার করা হচ্ছিলো। তিনি বলেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মূল রহস্য বের হয়ে আসবে।

"খুঁটি ও তার কার, তা আমি জানি না। তবে মাসুদ স্যার আমাকে খুঁটি ও তারগুলো তাঁর বাসায় নিয়ে যেতে বলেছিলেন। ভাড়ার চুক্তি অনুযায়ী আমি মালগুলো নিয়ে যাচ্ছিলাম। তবে এসব পণ্য পরিবহনের কোনো কাগজপত্র আমাকে দেওয়া হয়নি।"
"আমি নিজের টাকায় খুঁটি ও কাটা তার তৈরি করেছি। তবে নিজের অর্থে এসব সামগ্রী তৈরি করার দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা, সোনাখাড়া ইউনিয়ন, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ সরকার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক), আব্দুর রহমান খন্দকার (ট্রাকচালক), মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (পাম্প অপারেটর), মো. আব্দুল জুব্বার (প্যানেল চেয়ারম্যান), মো. শহিদুল ইসলাম (প্রকল্প পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ থেকে ৬৫টি সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖