📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জের বৃদ্ধকে প্রতারণায় জমি লিখে নেওয়া: ১৪ শতক জমি হারান মানসিক অসুস্থতা ভোগী

সিরাজগঞ্জের বৃদ্ধকে প্রতারণায় জমি লিখে নেওয়া: ১৪ শতক জমি হারান মানসিক অসুস্থতা ভোগী

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় ৮৫ বছর বয়সী মানসিক অসুস্থতা ভোগী আজিজুল হককে প্রতারণার মাধ্যমে তার ১৪ শতক জমি লিখে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগে জড়িত সাবেক ইউপি সদস্য ও তার দুই ভাই জমি কেনার দাবি করলেও প্রতারণার অভিযোগ অস্বীকার করেননি দপ্তর

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় ৮৫ বছর বয়সী মানসিক অসুস্থতা ভোগী আজিজুল হককে প্রতারণার মাধ্যমে তার ১৪ শতক ফসলি জমি লিখে নেওয়া হয়েছে। বয়স্কভাতার কার্ড প্রদানের কথা বলে জাল দলিল তৈরি করে জমি প্রতারণার পদ্ধতিতে নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ এবং তার দুই ভাই শাহ আলম ও শাহাদাৎ হোসেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া ইউনিয়নের বাঘলপুর গ্রামে ৮৫ বছর বয়সী আজিজুল হককে প্রতারণায় জমি লিখে নেওয়া হয়েছে
  • 📌 বয়স্কভাতার কার্ড প্রদানের কথা বলে ৫ হাজার টাকা দিয়ে জমির দলিল তৈরি করা হয়, পরে জমি বিক্রি হয়ে যায়
  • 📌 ১৪ শতক জমি ৫ লাখ ৭১ হাজার টাকায় গত ৪ অক্টোবর রেজিস্ট্রি করা হয়, কিন্তু মালিক আজিজুল হক অসুস্থতার কারণে দলিল সম্পাদনে অংশ নিতে পারেননি
  • 📌 অভিযুক্তরা দাবি করেছেন, নগদ ৭ লাখ টাকা দিয়ে জমি কেনা হয়েছে, কিন্তু দলিল লেখক জানিয়েছেন প্রতারণার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে
  • 📌 সাব-রেজিস্ট্রার ফারহানা আজিজ বলেছেন, জমিদাতার অসুস্থতার কারণে কমিশনের মাধ্যমে বাড়িতে দলিল সম্পাদন করা হয়েছিল
  • 📌 দলিল লেখক আব্দুল মতিনকে নোটিশ দেওয়া হয়, জবাব না দেওয়ায় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া ইউনিয়নের বাঘলপুর গ্রামে ৮৫ বছর বয়সী আজিজুল হককে প্রতারণার মাধ্যমে তার ১৪ শতক ফসলি জমি লিখে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগে জড়িত সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ এবং তার দুই ভাই শাহ আলম ও শাহাদাৎ হোসেন। আজিজুল হকের পরিবার জানিয়েছেন, বয়স্কভাতার কার্ড প্রদানের কথা বলে কাগজে টিপসই নেওয়ার সময় তাকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে জমির দলিল তৈরি করা হয়েছিল। তবে পরে জমি বিক্রি হয়ে যায় এবং দলিল নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করা হয়।

আজিজুল হক মানসিক অসুস্থতার কারণে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চোখেও দেখতে পারছিলেন না। তার ছেলে ফারুক সরকার বলেছেন, ‘আমার বাবা মানসিক অসুস্থ। বয়স্কভাতার কার্ড প্রদানের কথা বলে আবুল কালাম ও তার দুই ভাই কৌশলে বাবার ১৪ শতক জমি লিখে নিয়েছেন।’ তিনি দলিল বাতিলের পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আবুল কালাম আজাদ। তিনি দাবি করেছেন, নগদ ৭ লাখ টাকা দিয়ে তারা তিন ভাই জমিটি কিনেছেন। তবে দলিল লেখক আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, জমিদাতার কাছ থেকে জমি প্রতারণার পদ্ধতিতে লিখে নেওয়া হয়েছে। সাব-রেজিস্ট্রার ফারহানা আজিজ বলেছেন, জমিদাতার অসুস্থতার কারণে কমিশনের মাধ্যমে বাড়িতে দলিল সম্পাদন করা হয়েছিল। পরে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি জানতে পারেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, দলিল লেখককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং জবাব না দেওয়ায় তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

"আমার বাবা মানসিক অসুস্থ। বয়স্কভাতার কার্ড প্রদানের কথা বলে আবুল কালাম ও তার দুই ভাই কৌশলে বাবার ১৪ শতক জমি লিখে নিয়েছেন।"
"বয়স্কভাতার কার্ড প্রদানের কথা বলে নয়, আজিজুল হকের হাতে নগদ ৭ লাখ টাকা দিয়ে তারা তিন ভাই জমিটি কিনেছেন। কোনো অবৈধ পদ্ধতি বা জালিয়াতি করা হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উল্লাপাড়া উপজেলা, সিরাজগঞ্জ; কয়ড়া ইউনিয়ন, বাঘলপুর গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজিজুল হক (ভুক্তভোগী), আবুল কালাম আজাদ (সাবেক ইউপি সদস্য), ফারুক সরকার (আজিজুলের ছেলে), আব্দুল মতিন (দলিল লেখক), ফারহানা আজিজ (সাব-রেজিস্ট্রার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৫ বছর (আজিজুলের বয়স), ১৪ শতক (জমির পরিমাণ), ৫ লাখ ৭১ হাজার টাকা (জমির মূল্য), ৫ হাজার টাকা (প্রতারণায় দেওয়া টাকা), ২২১ নম্বর (জমির দাগ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖