📌 সিরাজগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মুজিব সড়কে ছয় দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মেলা শুরু হয়েছে। মেলায় ঝুরি-বুন্দি, খেলনা ও গ্রামীণ পণ্যসমৃদ্ধি দেখতে ভিড় করছেন মানুষ
সিরাজগঞ্জের মুজিব সড়কে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ছয় দিনব্যাপী মেলা। গত ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই মেলায় গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকে শুরু করে শিশুদের খেলনা ও শৌখিন পণ্যসমৃদ্ধি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন নানা বয়স ও শ্রেণির মানুষ। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়ের সাক্ষী হচ্ছে শহরের এই ঐতিহ্যবাহী মেলা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের মুজিব সড়কে ছয় দিনব্যাপী দুর্গাপূজা মেলা চলছে
- 📌 মেলায় ঝুরি-বুন্দি, শিশুদের খেলনা ও গ্রামীণ পণ্য বিক্রির জন্য ভিড় করছেন ক্রেতারা
- 📌 কল্যাণী রানী বলেন, মেলায় শিশুদের খেলনা ও ঝুরি-বুন্দি দেখে পুরোনো দিনের স্মৃতি মনে পড়ছে
- 📌 ওয়ারেস আলী মেলায় এসে ছোটবেলার স্মৃতি ফিরে পাচ্ছেন
- 📌 সিরাজগঞ্জ ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতির সভাপতি অশোক কুমার ব্যানার্জি বলেন, মেলা হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে
- 📌 জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সুকুমার চন্দ্র দাস জানান, মেলায় শিশুদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বেশি
📰 বিস্তারিত
মেলায় বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রির পাশাপাশি শিশুদের খেলনা ও ঝুরি-বুন্দি বিশেষ আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। কল্যাণী রানী বলেন, মেলায় শিশুদের খেলনা ও ঝুরি-বুন্দি দেখে তিনি পুরোনো দিনের স্মৃতি মনে পড়ছে। তিনি বলেন, “ছোটবেলায় গ্রামীণ মেলায় এসব পণ্য দেখা যেত। এখন আগের মতো গ্রামীণ মেলার আয়োজন কমে যাওয়ায় এ মেলায় এসে পুরোনো দিনের স্মৃতি মনে পড়ে যাচ্ছে।”
ওয়ারেস আলী মেলায় এসে ছোটবেলার স্মৃতি ফিরে পাচ্ছেন। তিনি বলেন, “একসময় বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত গ্রামীণ মেলা বসত। সেখানে নানা ধরনের পণ্য পাওয়া যেত। ছোটবেলায় ভাই-বোনদের সঙ্গে মেলায় গিয়ে ঝুরি-বুন্দি ও খেলনা কেনার স্মৃতি এখনো মনে আছে। পরিবারের সবাই মিলে মেলায় ঘুরে আনন্দ করতেন। মা-বাবা সারা বছরের জন্য হলুদ, মরিচসহ বিভিন্ন মসলাজাতীয় পণ্য কিনে রাখতেন। মেলায় পুতুলনাচ দেখাও ছিল বাড়তি আকর্ষণ।”
সিরাজগঞ্জ ব্রাহ্মণ কল্যাণ সমিতির সভাপতি অশোক কুমার ব্যানার্জি বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবছর শহরের মুজিব সড়কে এই ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, “এই মেলাটি হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। মেলাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়িতে স্বজনদের সমাগমও বাড়ে।”
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সুকুমার চন্দ্র দাস বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ছয় দিনব্যাপী মেলায় সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আনন্দ-উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিন মেলায় বিপুল পরিমাণ পণ্য বিক্রি হচ্ছে।”
"মেলায় শিশুদের খেলনাসহ নানা ধরনের পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে ঝুরি-বুন্দি ও বিভিন্ন ধরনের সাজসজ্জার সামগ্রী আমাকে আকৃষ্ট করেছে।"
"একসময় বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত গ্রামীণ মেলা বসত। সেখানে নানা ধরনের পণ্য পাওয়া যেত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের মুজিব সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কল্যাণী রানী, ওয়ারেস আলী, অশোক কুমার ব্যানার্জি, অ্যাডভোকেট সুকুমার চন্দ্র দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ দিন, ১৬ অক্টোবর, ২১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!