📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা ভাঙনে ২৯৫ শিক্ষার্থীর স্কুল ভবিষ্যত অনিশ্চিত, ১৫ ফুট দূরত্বে নদী

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা ভাঙনে ২৯৫ শিক্ষার্থীর স্কুল ভবিষ্যত অনিশ্চিত, ১৫ ফুট দূরত্বে নদী

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের চৌহালী জনতা উচ্চ বিদ্যালয় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে আতঙ্কিত। ১৫ ফুট দূরত্বে নদী এগিয়ে আসায় ২৯৫ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন দ্রুত জিওটেক্স বালুর বস্তা ফেলা প্রয়োজন

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে চৌহালী জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৯৫ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ১০০ মিটার এলাকা ইতোমধ্যে হারিয়ে গেছে এবং বর্তমানে বিদ্যালয় ভবন থেকে নদীর দূরত্ব মাত্র ১৫ ফুট।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের চৌহালী জনতা উচ্চ বিদ্যালয় যমুনা ভাঙনে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে
  • 📌 ২৯৫ শিক্ষার্থী ও চার গ্রামের ২৯৫ জনের একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে
  • 📌 বিদ্যালয় ভবন থেকে নদীর দূরত্ব এখন মাত্র ১৫ ফুট
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন জিওটেক্স বালুর বস্তা ফেলে ডাম্পিং করা দরকার
  • 📌 সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প অনুমোদিত হলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হবে

📰 বিস্তারিত

গত শনিবার সকালে চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ খাষকাউলিয়া গ্রামে হঠাৎ যমুনা নদীর ভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যমুনার ভাঙনে ইতিমধ্যে বিলীন হয়েছে। একই পরিণতি যেন চৌহালী জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের না হয়, সেজন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সবাই।

চৌহালী জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুল হক বলেন, “হঠাৎ নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় বিদ্যালয় ভবন থেকে নদীর দূরত্ব এখন মাত্র ১৫ ফুট। চারটি গ্রামের নদীভাঙনকবলিত হতদরিদ্র পরিবারের ২৯৫ জন শিক্ষার্থী এ বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। আশপাশে আর কোনো বিদ্যালয় না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি তাদের একমাত্র ভরসা।”

শিক্ষার্থীদের অভিভাবক জাহাঙ্গীর ফকির, মজিবর রহমান, বাবুল আক্তার ও মোহাম্মদ আলী বলেছেন, “নদীভাঙনে এ এলাকার বহু মানুষ ইতোমধ্যে নিঃস্ব ও অসহায় হয়ে পড়েছেন। সন্তানদের দূরের বিদ্যালয়ে পড়ানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য অনেক পরিবারের নেই। স্কুলটি নদীতে বিলীন হয়ে গেলে আমাদের সন্তানদের পড়ালেখাই বন্ধ হয়ে যাবে।”

খাষকাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবলু জানান, “সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ভাঙন দেখা দেয়। এতে বিদ্যালয়টি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামই যমুনার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।”

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেসুর রহমান বলেছেন, “ভাঙন রোধে দ্রুত ওই এলাকায় জিওটেক্স বালুর বস্তা ফেলার কাজ শুরু করা হবে। ওই এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য ৯০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন হলে সেখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।”

"ভাঙন অব্যাহত থাকায় যেকোনো সময় বিদ্যালয়ের ভবন নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চৌহালী জনতা উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ, দক্ষিণ খাষকাউলিয়া গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফজলুল হক (প্রধান শিক্ষক), জাহাঙ্গীর ফকির, মজিবর রহমান, বাবুল আক্তার, মোহাম্মদ আলী (অভিভাবক), হাবিবুর রহমান হাবলু (ইউনিয়ন চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯৫ শিক্ষার্থী, ১০০ মিটার ভাঙন এলাকা, ১৫ ফুট নদীর দূরত্ব, ৯০০ কোটি টাকা প্রকল্প

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖