📌 সিলেটের কানিশাইল এলাকায় পুলিশের জুয়া অভিযানে পালাতে গিয়ে জজ মিয়া (৫৮) সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেন এবং মারা যান। তার মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা আছে
সিলেটের কানিশাইল এলাকায় পুলিশের জুয়া অভিযানে পালাতে গিয়ে এক ব্যক্তি সুরমা নদীতে ঝাঁপ দিলে মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে। জজ মিয়া (৫৮) নামের এই ব্যক্তির মৃতদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা আছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেটের কানিশাইল এলাকায় পুলিশের জুয়া অভিযানে পালাতে গিয়ে জজ মিয়া (৫৮) সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেন এবং মারা যান
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন
- 📌 জজ মিয়ার বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাস্তাল গ্রামে, কিন্তু সিলেটে বসবাস করতেন
- 📌 জজ মিয়ার ছেলে বাদশা মিয়া জানান, তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত ছিলেন
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে জানা যায়, জুয়া অভিযানে পালাতে গিয়ে সুরমায় ঝাঁপ দেন জজ মিয়া
📰 বিস্তারিত
গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কানিশাইল এলাকার ঈদগাহ-সংলগ্ন স্থানে জুয়া অভিযান চালায়। অভিযানে পালাতে গিয়ে জজ মিয়া সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সূত্রে জানা যায়, জজ মিয়াকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জজ মিয়ার বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার কাস্তাল গ্রামে। তবে তিনি সিলেটের কানিশাইল এলাকায় বসবাস করতেন। তার বাবার নাম মুলু মিয়া। জজ মিয়ার ছেলে বাদশা মিয়া জানান, তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এর আগেও তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে ঘটনাস্থলে না থাকায় সেখানে কী ঘটেছিল তা তিনি জানেন না।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দা শাহেদ আহমদ বলেন, তিনি ঘটনার সময় কানিশাইল বাজারে মাছ আনতে গিয়েছিলেন। সেখানে এক ব্যক্তি পানিতে পড়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে সেখানে গিয়ে জজ মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
"জজ মিয়ার হৃদ্রোগের সমস্যা ছিল। এর আগেও তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।"
সিলেট মহানগর পুলিশের নগর বিশেষ শাখার (সিটি এসবি) উপকমিশনার মো. আফজাল হোসেন জানান, জজ মিয়ার মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেটের কানিশাইল এলাকা, সুরমা নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জজ মিয়া (৫৮), বাদশা মিয়া, শাহেদ আহমদ, মো. আফজাল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!