📌 শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বিয়ের ছয় দিন পর নববধূ লিমা আক্তারের (২০) মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বামী ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত চলছে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় বিয়ের মাত্র ছয় দিন পর নববধূ লিমা আক্তারের (২০) মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পুলিশ স্বামী একরামুল (২২) ও শাশুড়ি ফরিদা বেগম (৫০)-কে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে। মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরিবার ও পুলিশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে নববধূ লিমা আক্তারের (২০) মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
- 📌 বাবার বাড়ি থেকে পাঠানো জিনিসপত্র নিয়ে বিরোধ জেরে লিমাকে নির্যাতন করে মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন পরিবার।
- 📌 স্বামী একরামুল (২২) ও শাশুড়ি ফরিদা বেগম (৫০)কে আটক করা হয়েছে। পুলিশ মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য প্রক্রিয়া চলছে।
- 📌 নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. ফাহাদ রহমান জানান, লিমার মৃত্যু হাসপাতালে আনা আগেই ঘটে গিয়েছিল। শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
- 📌 বিয়ের দেনমোহর ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ছিল। লিমা পাশের হালুয়াঘাট উপজেলার সাইদুল ইসলামের মেয়ে।
📰 বিস্তারিত
গত ১৫ অক্টোবর এক লাখ ৭০ হাজার টাকা দেনমোহরে লিমা আক্তারের (২০) একরামুলের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের মাত্র ছয় দিন পর রাত ৩টার দিকে লিমার অসুস্থতার কথা জানিয়ে তার স্বামী একরামুল তার ভগ্নিপতিকে ফোন করেন। পরে ভোর ৪টার দিকে লিমাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহাদ রহমান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই লিমার মৃত্যু হয়েছিল। লিমার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
স্বজনদের অভিযোগ, জিনিসপত্র নিয়ে বিরোধের জেরে লিমাকে নির্যাতন করে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে স্বামী একরামুলের দাবি, রাতে ঘুম থেকে উঠে দরজা খোলা দেখে বাইরে গিয়ে পাশের একটি সেমিপাকা ঘরের সানশেডে ওড়না দিয়ে লিমার মরদেহ ঝুলতে দেখেন। তিনি নিজেই মরদেহ নামিয়ে আনেন।
"হাসপাতালে আনার আগেই ওই নববধূর মৃত্যু হয়েছিল। লিমার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।"
— ডা. ফাহাদ রহমান, নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার
নালিতাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক আব্দুল হান্নান জানান, নববধূর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর জেলা, নালিতাবাড়ী উপজেলা, রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়ন, গোপালপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিমা আক্তার (২০), একরামুল (২২), ফরিদা বেগম (৫০), ডা. ফাহাদ রহমান, আব্দুল হান্নান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ দিন, ২০ বছর, ২২ বছর, ৫০ বছর, ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!