📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেরপুরের নালিতাবাড়ী সড়ক: ভাঙা রাস্তায় নাতনিকে নিয়ে কষ্টের যাত্রা, ‘দেখার কেউ নাই?’

শেরপুরের নালিতাবাড়ী সড়ক: ভাঙা রাস্তায় নাতনিকে নিয়ে কষ্টের যাত্রা, ‘দেখার কেউ নাই?’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের নালিতাবাড়ী সড়কটি ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হলেও ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা নাতনিকে নিয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর আঞ্জুয়ারা বেগম (৫৭) গর্ত ও খানাখন্দে কষ্ট পেয়েছিলেন। স্থানীয়রা দাবি, সংস্কারের পরও সড়কটি দ্রুতই ভাঙা শুরু করেছে এবং নালিতাবাড়ীর গোল্লারপাড় এলাকায় ৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী সড়কটি ২৫০ শয্যার হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা নাতনিকে নিয়ে যাওয়ার সময় আঞ্জুয়ারা বেগম (৫৭) কষ্টের মধ্য দিয়ে যাত্রা করেছেন। গাজীরখামার হয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে সড়কের খানাখন্দে ঝাঁকুনিতে কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি। প্রায় এক ঘণ্টা পর হাসপাতালে পৌঁছানোর পর আঞ্জুয়ারা বেগম প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘জেলা শহরের সঙ্গে এই সড়কের দূরত্ব কম, ভাড়াও কম। কিন্তু রাস্তার অবস্থা এত খারাপ যে পুয়াতি নাতিটারে নিয়ে দাঁতে দাঁত কামড় দিয়ে এই পথ পার হইছি। সড়কটা দেখার কি কেউ নাই?’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত ২৮ সেপ্টেম্বর শেরপুরের নালিতাবাড়ী থেকে জেলা শহরের ২৫০ শয্যার হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা নাতনিকে নিয়ে গাজীরখামার হয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রা শুরু করেছিলেন আঞ্জুয়ারা বেগম (৫৭)।
  • 📌 সড়কের বিভিন্ন অংশে গর্ত ও খানাখন্দের কারণে অটোরিকশা প্রায় এক ঘণ্টা পর পৌঁছেছে হাসপাতালে।
  • 📌 শেরপুর জেলা শহর থেকে নালিতাবাড়ীর দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার হলেও সড়কটি বর্তমানে খানাখন্দে ভরপুর।
  • 📌 ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১১ কোটি টাকায় সংস্কার করা সড়কটি ২০২০ সালে কাজ শেষ হলেও এক বছরের মধ্যেই আবার ভাঙা শুরু করে।
  • 📌 গত আগস্টে অটোরিকশাচালকরা নিজেদের অর্থে গর্তে ইট, বালু ও সুরকি ফেলে সাময়িকভাবে চলাচল ব্যবস্থা করলেও স্বাভাবিক হয়নি।
  • 📌 নালিতাবাড়ীর গোল্লারপাড় এলাকায় অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ৩০ মিটার সড়ক নদীগর্ভে চলে গেছে।
  • 📌 সড়কটির দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু অনুমোদন না পেলে কাজ শুরু হবে না।

📰 বিস্তারিত

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী সড়কটি শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, সড়কটিতে শতাধিক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। এর পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপ, ব্যক্তিগত গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন চলে। তবে সড়কটির অবস্থা খুবই খারাপ। গাজীরখামার বাজারে প্রবেশের আগে তারাগড়, পাকুড়িয়া, চৈতনখিলা, বটতলা, মান্দাখালি, মতিনিপাড়া, বাগবাড়ি ও শেখহাটি এলাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গেছে। কোথাও বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও উঁচু-নিচু সড়কে বৃষ্টির পানিতে গর্ত ডুবে আছে।

শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, সংস্কারের পর কিছুদিন স্বস্তি মিলেছিল। কিন্তু দ্রুত বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গর্ত তৈরি হয়। তীব্র ঝাঁকুনির মধ্যে কষ্ট করে চলাচল করতে হয়। চালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শতাধিক চালক মিলে এই সড়কে যাত্রী আনা-নেওয়া করি। ভাঙা রাস্তার কারণে আমরা চালকেরা নিজেদের চাঁদায় তিনবার গর্ত ভরাট করছি।’

শেরপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মাহমুদুল আশরাফ বলেছেন, সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন পেলেই সংস্কারকাজ শুরু হবে। তবে প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষা রয়েছে।

"জেলা শহরের সঙ্গে এই সড়কের দূরত্ব কম, ভাড়াও কম। কিন্তু রাস্তার অবস্থা এত খারাপ যে পুয়াতি নাতিটারে নিয়ে দাঁতে দাঁত কামড় দিয়ে এই পথ পার হইছি। সড়কটা দেখার কি কেউ নাই?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শেরপুর জেলা, গাজীরখামার, নালিতাবাড়ী সড়ক, তারাগড়, পাকুড়িয়া, চৈতনখিলা, বটতলা, মান্দাখালি, মতিনিপাড়া, বাগবাড়ি, শেখহাটি, গোল্লারপাড়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আঞ্জুয়ারা বেগম (৫৭), শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, অটোরিকশাচালক নজরুল ইসলাম, খন্দকার মাহমুদুল আশরাফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২৫০ শয্যা, ৫৭ বছর, ১৭ কিলোমিটার, ১১ কোটি টাকা, ৩০ মিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖