📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেরপুরের নকলায় মাজার ভাঙচুরে গ্রেপ্তার আসাদুজ্জামান: জমি বিরোধে ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

শেরপুরের নকলায় মাজার ভাঙচুরে গ্রেপ্তার আসাদুজ্জামান: জমি বিরোধে ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের নকলা উপজেলায় জমি মালিকানা বিরোধে মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় আসাদুজ্জামান কেনু (৫৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য মতে, মাজারের দানবাক্স ভেঙে ১০ হাজার টাকা ও ১৩ হাজার টাকার অলংকার চুরি করা হয়েছে

শেরপুরের নকলা উপজেলায় জমি মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে আসাদুজ্জামান কেনুকে। ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার পর রাতেই অভিযোগ দাখিল করে গ্রেপ্তার করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শেরপুরের নকলা উপজেলায় মাজার ভাঙচুরে আসাদুজ্জামান কেনু (৫৫) গ্রেপ্তার
  • 📌 জমি মালিকানা বিরোধে মাজার ভাঙচুরে ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
  • 📌 মাজারের দানবাক্স ভেঙে ১০ হাজার টাকা ও ১৩ হাজার টাকার অলংকার চুরি
  • 📌 আসাদুজ্জামান মৃত ইলাহী বক্সের ছেলে, মাজার মালিকানা দাবি করছিলেন
  • 📌 মামলা দাখিল করে ১৫ থেকে ২০ জন আসামিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের বানেশ্বর্দী কান্দাপাড়া গ্রামে মাজার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও এলাকাবাসীর তথ্য মতে, প্রায় নয় বছর আগে আফরোজ লেংটার মৃত্যুর পর পরিবার ও ভক্তরা তাঁর পৈতৃক জমিতে মাজার নির্মাণ করেন। কিন্তু মাজারের চার শতক জমির মালিকানা নিয়ে আসাদুজ্জামান কেনু ও তাঁর ভাতিজা আবু হানিফার মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আসাদুজ্জামান মাজার ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ার পর রাতেই আবু হানিফা বাদী হয়ে আসাদুজ্জামান কেনুসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেন। এর ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা করা হয়। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মাজার ভাঙচুরের সময় প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া মাজারের দানবাক্স ভেঙে ১০ হাজার টাকা ও প্রায় ১৩ হাজার টাকার মূল্যের অলংকার নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

"মাজারের ওই চার শতক জমির মালিকানা নিয়ে আসাদুজ্জামান কেনুর সঙ্গে তাঁর ভাতিজা আবু হানিফার বিরোধ সৃষ্টি হয়। আসাদুজ্জামান তাঁর সমর্থকদের নিয়ে মাজার ভাঙচুর করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বানেশ্বর্দী ইউনিয়ন, বানেশ্বর্দী কান্দাপাড়া গ্রাম, শেরপুরের নকলা উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুজ্জামান কেনু (৫৫), আবু হানিফা, রিপন চন্দ্র গোপ (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ লাখ টাকা (ক্ষয়ক্ষতি), ১০ হাজার টাকা (চুরি), ১৩ হাজার টাকা (অলংকার), ১৫-২০ জন (অসামি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖