📌 শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় মাদকাসক্ত স্বামী রবিউল ছৈয়াল গলাকেটে হত্যা করেন ২১ বছর বয়সী গৃহবধূ লামিয়া বৃষ্টিকে। সালিসে মীমাংসা শেষে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ রবিউলকে আটক করেছে।
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় মাদকাসক্ত স্বামী রবিউল ছৈয়াল গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে গলাকেটে হত্যা করেন ২১ বছর বয়সী গৃহবধূ লামিয়া বৃষ্টিকে। সালিসে মীমাংসা শেষে ঘটনাটি ঘটে এবং পরে রবিউলকে পুলিশ আটক করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় ২১ বছর বয়সী লামিয়া বৃষ্টিকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে
- 📌 স্বামী রবিউল ছৈয়ালকে পুলিশ মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আটক করেছে
- 📌 লামিয়ার মৃত্যু ঘটে হাসপাতালে নেওয়ার পথে, উদ্ধার করা হয় ডোবা থেকে
- 📌 মাদকাসক্ত স্বামী লামিয়াকে তালাক দেওয়ার পরও গলাকেটে হত্যা করেন
- 📌 ঘটনাটি ঘটে সালিসে মীমাংসা শেষে, পরিবারের লোকজন মীমাংসা করার পর
📰 বিস্তারিত
গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের কনেশ্বর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে লামিয়া বৃষ্টির বিয়ে হয় রবিউল ছৈয়ালের সাথে। বিয়ের পর থেকে রবিউল মাদক সেবন ও কারবারে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে লামিয়া ও রবিউলের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। সর্বশেষ এক সপ্তাহ আগে রবিউলকে মাদক সেবন ও বিক্রি ছেড়ে দিতে বললে লামিয়া তালাক দেওয়ার কথা বলে বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
গতকাল পারিবারিক বিরোধ মেটানোর কথা বলে লামিয়াকে রবিউলের বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। স্থানীয় সালিসে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে সালিস শেষে সবাই চলে গেলে রবিউল ও লামিয়ার মধ্যে আবার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রবিউল ধারালো অস্ত্র দিয়ে লামিয়ার গলা কেটে পাশের বাড়ির একটি ডোবায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান। পরে লামিয়ার ছোট ভাই ওবায়দুল মাদবর তাঁকে খুঁজতে গিয়ে ডোবায় পড়ে থাকতে দেখেন। সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে লামিয়ার মৃত্যু হয়।
নিহতের মা শাহিদা আক্তার বলেছেন, ‘বিয়ের পর থেকে রবিউল মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে কথা বললে প্রায়ই আমার মেয়েকে মারধর করতেন। সর্বশেষ গত সপ্তাহে রবিউলকে তালাক দেওয়ার কথা বলে লামিয়া আমাদের বাড়িতে চলে আসেন। গতকাল তাঁদের পরিবারের লোকজন সমাধানের কথা বলে লামিয়াকে ডেকে নেন। দুজনের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করে দিলে আমরা বাড়ি ফিরে আসি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই শুনি, আমার মেয়ের গলা কেটে রবিউল পালিয়ে গেছে। সেখানে গিয়ে দেখি, আমার মেয়েকে ডোবা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীর বিচার চাই।’
"বিয়ের পর থেকে রবিউল মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে কথা বললে প্রায়ই আমার মেয়েকে মারধর করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ডামুড্যা উপজেলা, শরীয়তপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিউল ছৈয়াল (স্বামী), লামিয়া বৃষ্টি (গৃহবধূ), শাহিদা আক্তার (মা), ওবায়দুল মাদবর (ভাই), মো. জাহাঙ্গীর আলম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ বছর বয়সী লামিয়া, রাত ৮টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!