📌 শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে একটি হোটেল থেকে গাজীপুরের শিক্ষক আবুল বাশারের (৩৯) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবার দাবি করে, অপহরণের পর টাকার দাবিতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠিয়েছে
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে একটি হোটেল থেকে গাজীপুরের শিক্ষক আবুল বাশারের (৩৯) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবার অভিযোগ করেছে, অপহরণের পর টাকার দাবিতে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে হোটেলের ব্যবস্থাপক মামুন পলাতক হয়ে গেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের শিক্ষক আবুল বাশার (৩৯) শরীয়তপুরের একটি হোটেল থেকে রক্তাক্ত মরদেহের অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
- 📌 অপহরণের পর টাকার দাবিতে হত্যা — পরিবার দাবি করে, অপহরণকারী তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।
- 📌 সর্বশেষ যোগাযোগ রোববার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে — স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর থেকে আবুল বাশারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- 📌 হোয়াটসঅ্যাপে ২০ হাজার টাকা দাবি — অপহরণকারী হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠিয়ে টাকার দাবি করে।
- 📌 পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠিয়েছে — মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন না পাওয়ায় পরবর্তী তদন্ত চলছে।
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের খোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল বাশার গত রোববার সকালে শরীয়তপুরের উদ্দেশে রওনা হন। তাঁর পূর্বপুরুষদের বসতি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চেয়ারম্যান বাজার এলাকায়। ছুটিতে সেখানে বেড়াতে আসতেন তিনি। পরিবারের ভাষ্য, রোববার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সর্বশেষ কথা হয়। সকালে স্ত্রী তাঁকে নাঈম নামের এক বন্ধুর বাসায় রাতের খাবার খাচ্ছেন বলে জানান। এরপর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি।
সোমবার সকাল থেকে স্ত্রী একাধিকবার কল করলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে ওই দিন বেলা তিনটার দিকে আবুল বাশারের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে স্ত্রীর মুঠোফোনে কল আসে। অপর প্রান্তের ব্যক্তি বলেন, তিনি আহত এবং চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। কিছুক্ষণ পর রক্তাক্ত একটি ছবি পাঠিয়ে টাকার দাবি পুনরাবৃত্তি করা হয়। পরিবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় বিষয়টি জানায়। পুলিশ মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্ত করে জানতে পারে, আবুল বাশার ভেদরগঞ্জ উপজেলার পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আশপাশে রয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশের সহযোগিতায় ঢাকা আবাসিক হোটেল থেকে আবুল বাশারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির বড় ভাই মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, মামাকে অপহরণ করে টাকার জন্য হত্যা করা হয়েছে। যারা তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে, আমরা তাদের বিচার চাই।’
"আমরা ধারণা করছি, মামাকে অপহরণ করে টাকার জন্য হত্যা করা হয়েছে। যারা তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে, আমরা তাদের বিচার চাই।"
শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) সামছুল আরেফিন জানান, মরদেহে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে নাকে-মুখে রক্ত আছে। ময়নাতদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ জানান, আবুল বাশারের যাওয়ার কথা ছিল নড়িয়ায়, কিন্তু কেন এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ করে ভেদরগঞ্জ এসেছেন, বিষয়টি তদন্ত চলছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ, ঢাকা আবাসিক হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল বাশার (৩৯), মনিরুল ইসলাম, সামছুল আরেফিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ বছর, ২০ হাজার টাকা, ২০ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!