📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সেলাই মেশিনের খুটখুটে জীবন: হবিগঞ্জের তরুণী সোহেদা বেগমের ২৫ বছরের কঠিন সংগ্রামের গল্প

সেলাই মেশিনের খুটখুটে জীবন: হবিগঞ্জের তরুণী সোহেদা বেগমের ২৫ বছরের কঠিন সংগ্রামের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হবিগঞ্জের ৪০ বছর বয়সী সোহেদা বেগম ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় ২৫ বছর ধরে কাজ করছেন। তিনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে নারীদের অধিকার সংগ্রামে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং স্বপ্ন দেখেন বরিশালে নিজের বাড়ি নির্মাণের

হবিগঞ্জের এক তরুণী সোহেদা বেগমের জীবন কেটেছে ঢাকার পোশাক কারখানার মেশিনের খুটখুটে শব্দের মধ্যে। ১৩ বছর বয়সে হবিগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে সেলাই মেশিনের সামনে দাঁড়ানোর পর থেকে তিনি এখন ৪০ বছর বয়সী। সোহেদা বেগমের জীবনের গল্প একই সাথে সংগ্রাম, স্বপ্ন এবং শ্রমিক অধিকার সংগ্রামের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৩ বছর বয়সে হবিগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে ২০০৫ সালে সোহেদা বেগম ঢাকার রামপুরার সোলার গার্মেন্টস লিমিটেডে হেলপার হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং এখন সিনিয়র অপারেটর ও শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি
  • 📌 সোহেদা বেগমের মাসিক বেতন ১৭ হাজার টাকা, তবে ওভারটাইম করলে মাসে ২৫-২৬ হাজার টাকা পান
  • 📌 সোহেদা বেগমের স্বামী শাহীন মুন্সিও একই কারখানায় কাজ করতেন, বর্তমানে আরেকটি কারখানায় কোয়ালিটি কন্ট্রোলার হিসেবে ২০ হাজার টাকা বেতন পান
  • 📌 সোহেদা বেগমের পরিবার পশ্চিম রামপুরায় একটি ভবনের নিচতলার এক ঘরে বসবাস করেন, যেখানে খাটে মা-নাতি দুজন ঘুমায় এবং মেঝেতে সোহেদা ও স্বামী ঘুমায়
  • 📌 সোহেদা বেগমের বড় ছেলে মো. সিয়াম একাদশ শ্রেণিতে পড়েন এবং ছোট ছেলে একটি স্কুলের প্লে গ্রুপে অংশগ্রহণ করেন
  • 📌 সোহেদা বেগমের জীবনের স্বপ্ন হলো বরিশালে নিজের একটি বাড়ি নির্মাণ করা এবং বড় ছেলেকে ভালো চাকরি করানো

📰 বিস্তারিত

সোহেদা বেগমের জীবনের শুরু হয়েছিল হবিগঞ্জের এক সাধারণ পরিবারে। ২০০১ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি ঢাকায় এসে পোশাক কারখানায় কাজ শুরু করেন। সোহেদা বেগমের প্রথম কাজ ছিল ঢাকার রামপুরার ডিআইটি রোডের সোলার গার্মেন্টস লিমিটেডে হেলপার হিসেবে। সেখানে তিনি এখন সিনিয়র অপারেটর এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোহেদা বেগমের জীবনের এই সংগ্রামের পথে তিনি অনেক কঠিন সময় পার করেছেন।

সোহেদা বেগমের স্বামী মো. শাহীন মুন্সিও একসময় একই কারখানায় কাজ করতেন। পরে দুজনের পারিবারিক বিয়ে হয় এবং তারা একসাথে থাকেন। শাহীন বর্তমানে আরেকটি কারখানায় কোয়ালিটি কন্ট্রোলার হিসেবে ২০ হাজার টাকা বেতন পান। সোহেদা বেগমের মাসিক বেতন ১৭ হাজার টাকা, তবে ওভারটাইম করলে মাসে ২৫-২৬ হাজার টাকা পান।

সোহেদা বেগমের পরিবার পশ্চিম রামপুরায় একটি ভবনের নিচতলার এক ঘরে বসবাস করেন। এই ঘরে খাটে মা-নাতি দুজন ঘুমায় এবং মেঝেতে সোহেদা ও স্বামী ঘুমায়। ঘরটি খাট, ফ্রিজ, টেলিভিশন, স্টিলের আলমারি এবং থালাবাসনের তাক দিয়ে সজ্জিত। নিচতলার আরও দুটি পরিবারের সঙ্গে রান্নাঘর ও শৌচাগার ভাগ করে নিতে হয়।

সোহেদা বেগমের দুটি ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে মো. সিয়াম একাদশ শ্রেণিতে পড়ছেন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে এবং ছোট ছেলে একটি স্কুলের প্লে গ্রুপে অংশগ্রহণ করছেন। সোহেদা বেগমের বাবা ২০০৯ সালে মারা যাওয়ার পর থেকে তার মা শাহিদা বেগম তার কাছে থাকেন। মা শাহিদা বেগমের দায়িত্বে রয়েছে নাতিদের দেখাশোনা এবং রান্না।

"আগে ছিলাম সাধারণ একজন মেয়ে। এখন মাঝে মাঝে বিদেশিরাও সম্মান করেন। মনে হয় জীবনে কিছু একটা করতে পারছি।"

সোহেদা বেগমের জীবনের স্বপ্ন হলো বরিশালে নিজের একটি বাড়ি নির্মাণ করা। তিনি বলেন, ‘টিন, ছন দিয়ে হইলেও একটা বাড়ি করার স্বপ্ন তো দেখি।’ আরেকটি স্বপ্ন হলো বড় ছেলেকে পড়াশোনা শেষ করে ভালো চাকরি করানো। সোহেদা বেগমের জীবনের সংগ্রামের পথে তিনি অনেক পরিবর্তন দেখেছেন। প্রথমে কারখানায় সুপারভাইজারদের অশোভন আচরণের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, কিন্তু তিনি এখন শ্রমিকদের অধিকার সংগ্রামে এগিয়ে যাচ্ছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার পশ্চিম রামপুরা, সোলার গার্মেন্টস লিমিটেড, হবিগঞ্জ, বরিশাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহেদা বেগম, মো. শাহীন মুন্সিও, মো. সিয়াম, শাহিদা বেগম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর বয়সে ঢাকায় আসেন, ৪০ বছর বয়স, মাসিক বেতন ১৭ হাজার টাকা, স্বামীর বেতন ২০ হাজার টাকা, মাসে ২৫-২৬ হাজার টাকা ওভারটাইম বেতন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖