📌 ভোলার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধি ইমতিয়াজুর রহমানের বাসায় দিন-দুপুরে চোরের হানা। স্বর্ণালংকার, ২২ হাজার টাকা ও মোবাইল চুরি হয়। এ ঘটনায় পরিবার আতঙ্কিত। গত জানুয়ারিতেও একই বাসায় চুরি হয়েছিল
ভোলার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধি ইমতিয়াজুর রহমানের বাসায় রোববার দিন-দুপুরে চোরের হানা। স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন চুরি হয়। এ ঘটনায় পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। গত ৭ জানুয়ারিতেও একই বাসায় চুরি হয়েছিল। এবারও বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে চোরেরা মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলার কালীবাড়ি রোডের ভদ্রপাড়া এলাকায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধি ইমতিয়াজুর রহমানের বাসায় রোববার দিন-দুপুরে চোরের হানা।
- 📌 আলমারি ও ওয়ার্ড্রব ভেঙে সাড়ে ৩ ভরি স্বর্ণালংকার, ২২ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়।
- 📌 চুরির সময় বাসায় ছিলেন ইমতিয়াজুর রহমানের মা রোকেয়া বেগম। তিনি দরজা খুলতে গিয়ে দেখেন, দরজা ভেতর থেকে আটকানো। পরে একজন চোর পালিয়ে যায়।
- 📌 ইমতিয়াজুর রহমানের স্ত্রী সাবিয়া আকতার মিম বলেন, বিয়ের সময় পাওয়া গহনাগুলো বাসাতেই রাখা ছিল। এবার হারিয়ে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছেন।
- 📌 গত জানুয়ারিতেও একই বাসায় চুরি হয়েছিল। ইমতিয়াজুর রহমানের ধারণা, চোরেরা আগে থেকেই বাসাটির ওপর নজর রাখছিল।
- 📌 রোববার সন্ধ্যায় ভোলা সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ইমতিয়াজুর রহমান। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
📰 বিস্তারিত
রোববার দুপুরে ভোলার কালীবাড়ি রোডের ভদ্রপাড়া এলাকায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধি ইমতিয়াজুর রহমানের বাসায় চোরের হানা। রোকেয়া বেগম, ইমতিয়াজুর রহমানের মা, সকালে পাশের বাসায় থাকা ভাইয়ের বাড়িতে যান। পরে নিজ বাসায় ফিরে দেখেন, দরজা ভেতর থেকে আটকানো। পেছনের দরজায় গিয়ে একই অবস্থা দেখে তিনি আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। এ সময় একজন চোর পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা বাসায় প্রবেশ করে দেখেন, ইমতিয়াজুর রহমানের কক্ষের দরজা ভাঙা। আলমারি ও ওয়ার্ড্রবের দরজাও ভাঙা এবং ঘরের মালামাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আলমারিতে রাখা ছিল দুই জোড়া কানের দুল, চারটি সোনার আংটি, মোট সাড়ে ৩ ভরি স্বর্ণালংকার, এক জোড়া রুপার পায়েল, ২২ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন। ইমতিয়াজুর রহমানের স্ত্রী সাবিয়া আকতার মিম বলেন, বিয়ের সময় পাওয়া গহনাগুলো বাসাতেই রাখা ছিল। এর মধ্যে তার শখের গহনা ও জমানো নগদ টাকাও ছিল। চুরির ঘটনায় এসব হারিয়ে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছেন।
ইমতিয়াজুর রহমান জানান, এর আগেও গত ৭ জানুয়ারিতেও একই বাসায় চুরি হয়েছিল। এবারও বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে চুরি হয়েছে। তিনি দ্রুত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবি জানান। রোববার সন্ধ্যায় ভোলা সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। খবর পেয়ে ভোলা সদর মডেল থানার এসআই পলাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, সাংবাদিকের বাসায় চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে চোরেরা আগে থেকেই বাসাটির ওপর নজর রাখছিল বলে আমার ধারণা। দ্রুত ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা সদর, কালীবাড়ি রোডের ভদ্রপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমতিয়াজুর রহমান (সাংবাদিক), রোকেয়া বেগম (মা), সাবিয়া আকতার মিম (স্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ ভরি স্বর্ণ, ২২ হাজার টাকা, ৭ জানুয়ারি (গত চুরির তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!