📌 সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুকুরে ডুবে মারা যায় দুই সহোদর শিশু জান্নাতুল নাঈমা (৫) ও সানজিদুল ইসলাম (২)। অন্যদিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চোরাচালান সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুকুরে ডুবে মারা যায় দুই সহোদর শিশু। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিংহলাল গ্রামের ইকবাল হোসেনের বাসায় দুটি শিশুর মৃত্যু ঘটে। তারা হলেন মেয়ে জান্নাতুল নাঈমা (৫) ও ছেলে সানজিদুল ইসলাম (২)। শিশুদের চাচা আব্দুল গফুর জানান, দুটি শিশু বাড়ির পাশের পুকুরে অজান্তে ডুবে যায়। পরে তাদের মা রেখা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরা পুকুরে তাদের মরদেহ দেখতে পান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরা কলারোয়ায় পুকুরে ডুবে মারা যায় দুই সহোদর শিশু জান্নাতুল নাঈমা (৫) ও সানজিদুল ইসলাম (২)
- 📌 দুটি শিশু বাড়ির পাশের পুকুরে অজান্তে ডুবে যায়, পরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়
- 📌 কলারোয়া থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে
- 📌 কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চোরাচালান সংঘর্ষে গোলাম মস্তফা টেঙ্গর (৬০) নিহত হন
- 📌 সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হন
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সিংহলাল গ্রামে দুটি শিশুর মৃত্যু ঘটে। ইকবাল হোসেনের মেয়ে জান্নাতুল নাঈমা (৫) ও ছেলে সানজিদুল ইসলাম (২) দুটি শিশু। তাদের চাচা আব্দুল গফুর বলেন, দুটি শিশু বাড়ির পাশের পুকুরে অজান্তে ডুবে যায়। পরে তাদের মা রেখা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরা পুকুরে তাদের মরদেহ দেখতে পান। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে চোরাচালানের নিয়ন্ত্রণ ও ভাগাভাগির কারণে সংঘর্ষে গোলাম মস্তফা টেঙ্গর (৬০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। সংঘর্ষে গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হন।
"সকলের অজান্তে দুই শিশু বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। পরবর্তীতে তাদের মা রেখা খাতুনসহ স্বজনেরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পুকুরে দুই শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন।" — আব্দুল গফুর, শিশুদের চাচা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা কলারোয়া (সিংহলাল গ্রাম) ও কুষ্টিয়া দৌলতপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জান্নাতুল নাঈমা (৫), সানজিদুল ইসলাম (২), গোলাম মস্তফা টেঙ্গর (৬০), আব্দুল গফুর, মিজানুর রহমান (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর (জান্নাতুল নাঈমা), ২ বছর (সানজিদুল ইসলাম), ৬০ বছর (গোলাম মস্তফা টেঙ্গর), ৭ জন (গুরুতর আহত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!