📌 সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুরের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি রাতের আঁধারে মৎস্য ঘেরে হামলা ও লুটপাট চালায়। ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীনের ৩০ বছরের মৎস্য চাষের ঘেরে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ স্থাপন করা হয়
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধূলিহর ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামে রবিবার রাতে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুরের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি মৎস্য ঘেরে হামলা ও লুটপাট চালায়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীনের ৮ বিঘা জমির ৩০ বছরের মৎস্য চাষের ঘেরে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া এই জমিতে জয়নাল ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মাছ চাষ করছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াত নেতা আব্দুস সবুরের নেতৃত্বে রাতের আঁধারে মৎস্য ঘেরে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়, যার ফলে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।
- 📌 ৮ বিঘা জমির ৩০ বছরের মৎস্য চাষের ঘেরে আগুন দেওয়া হয় এবং ফলজ গাছ কেটে ফেলা হয়।
- 📌 পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ কেটে পিভিসি পাইপ স্থাপন করা হয়।
- 📌 জয়নাল আবেদীন দাবি করেন, জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর ও তাঁর ভাইপোদের নেতৃত্বে এই ঘটনা সংঘটিত হয়।
- 📌 জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও লুটপাট বা ভাঙচুরের বিষয়ে কিছু জানেন না।
- 📌 ভুক্তভোগীর ভাই ওমর ফারুক সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধূলিহর ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা গ্রামে রবিবার রাতে জামায়াত নেতা আব্দুস সবুরের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি মৎস্য ঘেরে হামলা ও লুটপাট চালায়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদীনের ৮ বিঘা জমির ৩০ বছরের মৎস্য চাষের ঘেরে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। জয়নাল জানান, তিনি পৈতৃক সূত্রে এই জমি পেয়েছিলেন এবং ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মাছ চাষ করছিলেন।
জয়নালের অভিযোগ, এলাকায় জলাবদ্ধতা না থাকলেও জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর ও তাঁর ভাইপোদের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি রাতের আঁধারে ঘেরে হামলা ও লুটপাট চালায়। তারা ঘেরে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি আইলের বিভিন্ন ফলজ গাছ কেটে তছনছ করে এবং বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া ওই স্থানে কালভার্ট বা পিভিসি পাইপ বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করেই এক্সেভেটর দিয়ে বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ বসানো হয়।
জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও লুটপাট বা ভাঙচুরের বিষয়ে কিছু জানেন না। তিনি চলে আসার পর কী ঘটেছে তা তিনি বলতে পারবেন না।
"আমি ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই জমিতে মাছ চাষ করছিলাম। জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর ও তাঁর সহযোগীদের নেতৃত্বে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। তারা ঘেরে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি গাছ কেটে ফেলেছে। আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।"
ভুক্তভোগীর ভাই ওমর ফারুক এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা, ধূলিহর ইউনিয়ন, বাগডাঙ্গা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়নাল আবেদীন, আব্দুস সবুর, ওমর ফারুক, আব্দুর রহমান তাযকিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা, ৮ বিঘা জমি, ৩০ বছরের মৎস্য চাষ, ৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!